জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক মানের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা গড়ে তুলতে চীনের আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। জনগণের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে তিন দিনব্যাপী শিশু শিক্ষার্থীদের হৃদরোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চীনের ফুওয়াই ইউনান কার্ডিওভাসকুলার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগ এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে গত বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এ বিশেষ চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, চীনের উন্নত প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রাজশাহীতে বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠার সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকার সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে সেই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
হাসপাতালে রোগীদের যাতায়াত সহজ করতে কোর্ট-নাটোর সড়ক থেকে রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক প্রশস্ত করার জন্য বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (আরডিএ) নির্দেশনা দেন ভূমিমন্ত্রী।
এ ছাড়া ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের উন্নয়নকাজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুদান দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
রাজশাহী ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চীনের ফুওয়াই ইউনান কার্ডিওভাসকুলার হাসপাতালের ডেপুটি ডিরেক্টর (ইনচার্জ) ও বিশেষজ্ঞ দলের টিম লিডার লু জিয়াং, রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আতাউল হক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চিফ কনসালট্যান্ট ও পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. রইছ উদ্দিন এবং ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মো. হাসেন আলী ও মো. মাকসুদুল করিম সম্রাট।












