বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যাকে ধীরে ধীরে শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম আশা প্রকাশ করেছেন ।
বুধবার (৪ঠা জানুয়ারি) এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই যে ঢাকা সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সর্বদা সোচ্চার থাকবে।’
তিনি বলেন, লালমনিরহাটের মতো কিছু পয়েন্টে সমস্যা রয়ে গেলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের কয়েকটি পয়েন্টে হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
আলম বলেন, সীমান্ত হত্যার ঘটনা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে বিব্রত করেছে এবং এটি আমাদের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে না। লালমনিরহাটে সাম্প্রতিক সীমান্ত হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঢাকা মঙ্গলবার কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতের কাছে উত্থাপন করেছে।
‘আমরা আশা করি এটি (সীমান্ত হত্যা) শূন্য স্তরে (সব পয়েন্টে) নেমে আসবে,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, উভয় দেশের শীর্ষ নেতৃত্বে আন্তরিকতার অভাব নেই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্ব একটি শান্ত, স্থিতিশীল ও অপরাধমুক্ত সীমান্ত নিশ্চিত করতে কার্যকর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উভয় পক্ষই সীমান্তে যে কোনো মৃত্যুই উদ্বেগের বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তবে এসব দুঃখজনক ঘটনা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের অনেক অর্জন রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী কায়েমী স্বার্থ দ্বারা চালিত শক্তি তৎপর রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, তবে দুই দেশ ‘সোনালী অধ্যায়ের’ বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গভীর করতে একসঙ্গে কাজ করবে।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ‘হাসিনা-মোদী শাসনে ভারত-বাংলা অনন্য বন্ধুত মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করে সুরজবার্তা মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন। প্রখ্যাত ভারতীয় সাংবাদিক ড. অয়নজিৎ সেন ভারতীয় পরিপ্রেক্ষিতের ওপর বিশেষ বক্তৃতা দেন এবং সুরজবার্তা সম্পাদক সুমি খান একটি ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন। বাসস













