ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবাল ও পেদ্রো পোরোর গোলে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে লা রোজারা। আর শিরোপার অন্যতম দাবিদার ফ্রান্সকে বিদায় নিতে হয় সেমিফাইনাল থেকেই।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডালাস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয় দুই দলের সেমিফাইনাল ম্যাচ।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা স্পেন ২২ মিনিটে এগিয়ে যায়। বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামাল ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনিয়ঁ সঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও বল ঠেকাতে পারেননি। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়াতে আরও আক্রমণ চালায় স্পেন। ৫৮ মিনিটে সেই চেষ্টা সফল হয়। দুর্দান্ত এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো।
টটেনহ্যামের এই ফুলব্যাক নিজেই গোলের সুযোগ তৈরি করেন। দানি ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু করে বল নিয়ে ফ্রান্সের বক্সে ঢুকে পড়েন পোরো। এরপর ঠান্ডা মাথায় মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি। তাতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-০।
এরপর ফ্রান্সের জালে বল পাঠিয়েছিলেন লামিনে ইয়ামাল। তবে অফসাইডের কারণে রেফারি গোলটি বাতিল করে দেন।
ম্যাচের ৮১ মিনিটে ব্যবধান কমানোর দারুণ সুযোগ পায় ফ্রান্স। তবে গোলরক্ষক উনাই সিমন এগিয়ে এসে প্রথমে আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন। পরে বল পেয়ে শট নেন দেজিরে দুয়ে। তখন পেছাতে পেছাতে বক্সে ফিরছিলেন সিমন। কিন্তু দ্রুত নিজেকে সামলে দুর্দান্তভাবে সেই শটও রুখে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক।
৮৮ মিনিটে বক্সের কাছাকাছি দুয়েকে ফাউল করেন ইয়ামাল। ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি শট নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে তার প্রচেষ্টা ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। এরপর বক্সের ভেতর ফ্রান্সের আরও একটি সুযোগ নষ্ট করেন কুকুরেয়া।
যোগ করা সময়ে (৯০+৫ মিনিট) বক্সের ভেতর ঢুকে বাঁ পায়ে শট নেন উসমান দেম্বেলে। তবে সহজেই তা ধরে ফেলেন সিমন। পরে দেম্বেলের আরেকটি প্রচেষ্টাও ঠেকিয়ে দেন তিনি। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে এমবাপ্পের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে গেলে ফ্রান্সের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়।
শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে যায় স্পেন। অন্যদিকে সেমিফাইনালেই শেষ হলো দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিশ্বকাপ যাত্রা।













