নিউজ ডেস্ক
সংবিধানের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী গণগ্রেফতার বন্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ডিএমপি কার্যালয়ে এ চিঠি দেন বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এসময় তার সাথে ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহ-সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো: মাহবুবুর রহমান খান।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘২৮ জুলাই শুক্রবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির আহ্বানে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। আপনার কার্যালয় থেকে ওই মহাসমাবেশের সম্মতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে গত ২৬ জুলাই থেকে মহাসমাবেশে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সারাদেশ থেকে আগত বিএনপি এবং তার সহযোগী সংগঠনসমূহের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, কর্মী, সমর্থকদের বিনা অভিযোগে নির্বিচারে আইন ও সংবিধানকে উপেক্ষা করে আপনার অধীনস্থ পুলিশ বাহিনী ঢালাওভাবে গ্রেফতার করেছে এবং গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে। আপনি অবশ্যই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন হচ্ছে বাংলাদেশের সংবিধান এবং সংবিধানে বর্ণিত অন্যতম মৌলিক অধিকার হচ্ছে বিনা বাধায় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত করা। বিশেষ করে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৬, ৩৭, ৩৮ এবং ৩৯ অনুযায়ী যেকোনো সভা-সমাবেশে মতামত প্রকাশ করা নাগরিকদের অলঙ্ঘনীয় মৌলিক অধিকার।
আরো উল্লেখ্য যে বিএনপি ঢাকা নগরবাসীর সুবিধার্থে ২৭ জুলাই তারিখে নির্ধারিত সমাবেশের দিনক্ষণ পরিবর্তন করে ২৮ জুলাই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এমতাবস্থায় বাংলাদেশের সংবিধান এবং প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন বাহিনী কর্তৃক নির্বিচারে হয়রানীমূলক গণগ্রেফতার অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং ইতোমধ্যে গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।’












