• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে: এ্যানি

প্রকাশ: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ৭:৫৮
আপডেট: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ৭:৫৮

9666580

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে: এ্যানি

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের দলের মনোনীত প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশের ইতিহাসে জিয়া পরিবার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেছেন—শহীদ জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট এবং বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যদি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, তবে এটি নতুন ইতিহাস এবং দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ২ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও পথসভায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “জিয়া পরিবার দেশের মানুষের কাছে কত প্রিয়, কত নিবিড় সম্পর্ক এবং বন্ধন-বন্ধুত্বপূর্ণ, তা তাদের জনদরদী শাসন ব্যবস্থাই প্রমাণ করে।”

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, “আজ প্রেসিডেন্ট জিয়া নেই, বেগম খালেদা জিয়া নেই। তারা অত্যাচারিত হলেও সম্মানিত ছিলেন। তারেক রহমান উনার জ্যেষ্ঠ সন্তান। দীর্ঘদিন নির্বাসনে থাকার পর দেশে এসে লাখ লাখ মানুষের সামনে ১৫ মিনিটের বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি আল্লাহর সাহায্য ও মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন। হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশের ও মানুষের সেবা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আজ তিনি মায়ের মতো, বাবার মতো গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের সঙ্গে দেখা করছেন। ঠিক যেমনভাবে প্রেসিডেন্ট জিয়া গণমানুষের নেতা হিসেবে গ্রামে গ্রামে ঘুরতেন, ঠিক তেমনি তারেক রহমানও গ্রামে গ্রামে মানুষকে পাশে নিয়ে যাচ্ছেন।”

তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি যদি আমরা সবাই একযোগে ধানের শীষে ভোট দিই, তাহলে তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাআল্লাহ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আমরা এই সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে। এই দিনটি জাতির সামনে আনার ক্ষেত্রে জনগণ সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত ও নির্যাতিত হয়েছে। এর চেয়ে বেশি অত্যাচার-নির্যাতন ভোগ করেছে জিয়া পরিবার।”

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, “১৯৭১ সালে যারা দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা আজ প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। প্রেসিডেন্ট জিয়া তাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু তারা সেই সম্মান রাখতে পারেননি। স্বাধীনতার সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি পাকহানাদারদের দেখিয়ে দিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, গণহত্যা এবং বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে, এমনকি মা-বোনদের ওপরও নির্যাতন চালিয়েছে।”

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, সদস্য নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, আবুল হাশেম, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন এবং দলের অন্যান্য নেতারা।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫( লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com