নিউজ ডেস্ক
হরতালের সমর্থনে গণসংহতি আন্দোলনের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এই বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করার চেষ্টা করায় তাদেরকে সরে যেতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
হরতালের সমর্থনে মিছিল শেষে গণসংহতি আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করতে দাঁড়ালে পুলিশ এসে প্রথমে তাদের রাস্তা ছেড়ে দাঁড়াতে বলেন। পরে দলের নেতাকর্মীরা এক পাশে দাঁড়িয়ে সমাবেশের চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় চলতে থাকে। এক পর্যায়ে দলের এক কর্মী ভিডিও করায় পুলিশ তাকে ধরার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এক পর্যায়ে গণসংহতির নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মিছিল করে চলে যায়।
এই বিষয়ে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলের পর প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করতে দাঁড়ালে পুলিশ আমাদেরকে বাধা দেয়। তারা রাস্তা ছেড়ে দিতে বলার পর আমরা রাস্তা ছেড়ে দিলেও পুলিশ আমাদের উপর চড়াও হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ আমাদের কয়েকজন কর্মীকে ধরার চেষ্টা করে, নারী কর্মীদেরকে ধাক্কা দেয় এবং সমাবেশ করতে বাধা দেয়। পরে আমরা সেখানে সমাবেশ না করে মিছিল নিয়ে যখন চলে যাচ্ছিলাম তখনো তারা পেছন থেকে আমাদের মিছিল ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। একতরফা নির্বাচন আয়োজনের জন্য এমন উষ্কানি, ষড়যন্ত্র আরও কিছুদিন চলবে। তবে এসব করে সরকার সফল হবে না।’
বাধা দেয়ার প্রসঙ্গে শাহবাগ থানার পেট্রল ইন্সপেক্টর সরদার বুলবুল আহমেদ বলেন, ‘তারা এখানে রাস্তা বন্ধ করে, অসৎ উদ্দেশ্যে, পুলিশকে প্রলুব্দ করার চেষ্টা করছিল। পুলিশ তাদেরকে রাস্তা থেকে সরে গিয়ে তাদের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তারপরেও তারা বারংবার পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবুও তাদের শান্তিপূর্ণভাবে এখান থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেছি, তারা চলে গেছে।













