রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণফোরাম।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানায় দলটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দলটির সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টুর সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে বসে গণফোরাম নির্বাহী পরিষদ। সেখান থেকে নেতৃবৃন্দ যৌথ বিবৃতি দেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, পুলিশ যেন জনগণের প্রতিপক্ষ না হয়। পুলিশ প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। তাদের কর্তব্য হলো জনগণকে সাহায্য করা, সেবা করা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কোনো দলের বা সরকারের হাতিয়ার বা লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহার হোক তা জনগণের নিকট কাম্য নয়। বিএনপি তাদের সমাবেশের জন্য আলোচনা করছে ডিএমপির সঙ্গে, ঠিক তখনই সরকারের নির্দেশে ইচ্ছাকৃতভাবে একটা অশান্ত পরিবেশ তৈরির জন্য বিএনপি অফিসে প্রবেশ করে এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়।
তারা বলেন, এর আগে অহেতুক টিয়ারগ্যাস ও গুলি করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে নেতাকর্মীদের সরানোর অপকৌশল চালানো হয়। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় হামলা। এতে এ পর্যন্ত ১ জন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। আজকের এই ঘটনা দুঃখজনক, রাজনৈতিক অঙ্গনে অশনি সংকেত। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকার বিএনপির ১০ তারিখের সমাবেশ পণ্ড করতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।
বিৃবতিতে আরও বলা হয়, আমরা পুলিশ প্রশাসনকে আহ্বান জানাচ্ছি সর্বোচ্চ সহনশীল থাকতে এবং বিরোধীদলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশ যাতে প্রতিপক্ষ না নয়। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক। এই হামলার বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।
আহতদের সুচিকিৎসার দাবিসহ নিহতের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানায় গণফোরাম।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ, সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট এ.কে.এম. জগলুল হায়দার আফ্রিক, নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক।













