স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে সেটিকে সফল করার অংশ হিসেবে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ—স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু’র নেতৃত্বে গত ২৮ জুন গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রস্তুতি সভা শেষে ফিরে যাবার সময় পুলিশ শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খান টিটু, শ্রীপুর উপজেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট রাজীবুল আলম ব্যাপারী, যুবদল সদস্য আরিফুল ইসলাম ও আবু বক্কর—কে গ্রেফতার করে। তাদেরকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “৭ জানুয়ারীর আওয়ামী ডামি সরকার নব্য বাকশালী শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে দেশব্যাপী বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতা—কর্মীদের উপর অবর্ণনীয় জুলুম—অত্যাচার অব্যাহত রেখেছে। সেটিরই ধারাবাহিকতায় শান্তিপূর্ণ প্রস্তুতি সভা শেষে পুলিশ কতৃর্ক শ্রীপুর উপজেলার উল্লিখিত নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার ও তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দেশের মানুষ নিত্যপণ্যের মূল্যের উর্ধ্বগতিতে যখন দিশেহারা তখন দখলদার আওয়ামী সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতারের মাধ্যমে কারান্তরীণের অমানবিক খেলায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীনদের নির্মম আচরণ, দৌরাত্ম এবং দাপটে মানুষ এখন উদ্বেগ—উৎকন্ঠার মধ্যে দিনাতিপাত করছে। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকার তাদের সকল অপকর্মকে আড়াল করতেই সরকারী জুলুমের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। অপরাধ না করেও নিত্য নতুন মিথ্যা মামলায় আসামী হওয়া, গ্রেফতার হওয়া ও কারাবাসে যাওয়া এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। ৭ জানুয়ারীর ডামি নির্বাচনের পর কতৃর্ত্ববাদী আওয়ামী সরকার তাদের দুঃশাসন চালাতে আরও বেশী ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। তবে এই শ^াসরুদ্ধকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে সংগ্রামী জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন—সংগ্রাম চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে অবিলম্বে উল্লিখিত নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি ও তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর আহবান জানান।












