নিউজ ডেস্ক
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে অব্যাহতভাবে বেড়েই চলেছে সিলেটের নদ-নদীর পানি। তবে এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও সুনামগঞ্জ জেলার বেশ কিছু এলাকার নিম্নাঞ্চল পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বন্যা আতঙ্কে হাওরপাড়ের বাসিন্দারা। এরই মধ্যে শক্তিয়ারখলা পয়েন্টের ১০০ মিটার সড়ক ডুবে গেছে।
গত তিনদিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, যাদুকাটাসহ সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। ফলে প্লাবিত হচ্ছে তাহিরপুর, ছাতক, দোয়ারা বাজার, মধ্যনগরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল। আর ডুবে যাচ্ছে রাস্তাঘাট। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষকে।
শনিবার (১ জুলাই) সকালে পাহাড়ি ঢলের পানিতে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দূর্গাপুর সড়ক ডুবে যাওয়ায়, সুনামগঞ্জ শহরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন লক্ষাধিকেরও বেশি মানুষ। এমনকি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় বন্যা আতঙ্কে ভাটির ২০ লাখেরও বেশি মানুষ।
স্থানীয়রা বলছেন, ঢলের পানি যেভাবে বাড়ছে এতে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় ও উজানের পাহাড়ি ঢল নামায় সুনামগঞ্জের সুরমা, যাদুকাটা, কুশিয়ারাসহ সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে সুনামগঞ্জের স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। ফলে সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।












