• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

মালয়েশিয়ার শর্তে রাজি না হলে বন্ধই থাকবে বাজার : নুর

প্রকাশ: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ ৯:৫০
আপডেট: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬ ৯:৫০

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারের যে শর্ত রয়েছে সেই শর্তে রাজি না হলে এই শ্রমবাজার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত প্রবাসী কল্যাণ ভবনের বিজয় একাত্তর হলে অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ওকাপ) আয়োজিত অভিবাসী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার বাজার ২০০৮ সালে প্রথম বন্ধ হয়। এরপর ২০১৬ সালে চালু হয়ে ১৮ সালে আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২২ এ চালু হলে ২৪ এ বন্ধ হয়। যা এখনো বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিকবার বৈঠক ও সফর হয়েছিলো। তবুও এই বাজার চালু হয়নি। কারণ, মালয়েশিয়া ১০টি শর্ত দিয়েছিল, সে শর্ত মানলে বাংলাদেশে ৫ থেকে ৭টি এজেন্সির বেশি কেউ কর্মী পাঠাতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তীকালে ৩টি শর্ত মওকুফ করে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দিয়েছে। তবুও বাস্তবতা হচ্ছে মার্কেট বন্ধই আছে। আমরা যদি সিন্ডিকেট কিংবা ফেয়ার রিক্রুটমেন্ট সিস্টেম যাই বলেন, তাদের এই ধরনের শর্তে রাজি না হই তাহলে মার্কেট যেভাবে বন্ধ আছে সেভাবে বন্ধ থাকবে। তবে আমাদের মন্ত্রী কিছুদিন আগে সেখানে সফর করে বলে এসেছে যে, তাদের শর্তে যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা দেওয়া হয়েছে সেই এজেন্সিগুলোকে যেন কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দিয়ে দেয়।

মন্ত্রণালয় কিংবা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তরের দুর্নীতির দায় নেওয়া হবে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের ডিজি, বিএমইটির ডিজি সহ আমরা সকল কর্মকর্তাদের পরিষ্কারভাবে বলেছি যে আমরা আপনাদের কোন অন্যায়ের দায় কিংবা অপবাদ নিতে চাই না। কারণ, আমাদের রাজনীতি করতে হবে, আমাদের জনগণের কাতারে দাঁড়াতে হবে। তখন তো জনগণই বলবে যে তুমি দায়িত্বে থাকাকালীন কেন এই কাজ হয়েছে। এটা তো আমাদেরই ব্যর্থতা। যদি এই ব্যর্থতা দূর করতে না পারি তাহলে এখান থেকে সরে যাবো। যদি মনে করি যে আমি ব্যর্থ হচ্ছি তাহলে বিনয়ের সাথে প্রধানমন্ত্রীকে আমি বলে দেবো যে আপনাকে ধন্যবাদ, আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ আমাকে একটা দায়িত্ব দিয়েছিলেন কিন্তু এখানে থেকে আমি কাজ করতে পারছি না।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি তুলে ধরে নুরুল হক নুর বলেন, আমাদের ১১০টা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, আরও ৫০টা হবে। কিন্তু আসলেই এতো জায়গায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা সেটা যাচাই-বাছাই করা হয়নাই। প্রকৃত অর্থে ১১০টা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকলেও অনেক জায়গায় প্রশিক্ষণ করানোর মতো প্রশিক্ষক নেই। আবার সংসদ অধিবেশনে অনেক এমপি ডিউ লেটার পাঠিয়েছেন। কিন্তু এগুলো যদি যাচাই করা হয় তবে দেখা যাবে তাদের অনেকের স্থানে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রয়োজন নেই। তারপরও রাজনৈতিক বিবেচনায় তাঁদেরকে অনুমোদন দিতে হয়। তবে আমরা এখন চেষ্টা করছি চাহিদা মতো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে সুসজ্জিত করতে।

তিনি আরও বলেন, আমি প্রবাসীদের সমস্যা সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জানি। কারণ আমিও দায়িত্ব নেওয়ার আগে থেকে প্রবাসী অধিকার পরিষদ নামে একটা সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলাম। আমি দেখেছি যে কমন কিছু সমস্যা এবং আমার মনে হচ্ছে এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারলে তারা বেজায় খুশি হবে। আমরা সরকারও একটা বড় ধরনের বাহবা পাব।

রিক্রুটিং এজেন্সির কাজের মূল্যায়নের ওপর গ্রেডিং দেওয়া হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতারণা কিংবা অনিয়ম বন্ধে রিক্রুটিং এজেন্সি গুলোর ক্ষেত্রে আইন এবং বিধি অনুযায়ী গ্রেডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের কাজের মূল্যায়ন করে আমরা একটা গ্রেড দিবো। যাতে মানুষ বুঝতে পারে কোন কোম্পানি ভালো এবং সুবিধাদায়ক।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম