শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
পোশাকশিল্পসহ দেশের বিভিন্ন খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির পেছনে পলাতক আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিদাওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে ইতিপূর্বে আলোচনা হয়েছে এবং সমস্যার সমাধানও করা হয়েছে। কিন্তু দাবি মেনে নেওয়ার পরও কারখানা ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়া, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং একজন শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার মতো যেসব সহিংস ঘটনা ঘটছে, তার সঙ্গে প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে জড়িত ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা। এমনকি যেসব কারখানার মালিক এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাঁদের পরিচয়ও ধীরে ধীরে সামনে আসছে।
পোশাক খাতের বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরি করে পরাজিত শক্তি কি আবারও ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটাতে চায়? নাকি বিরোধী মত দমনে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে?
সংবাদ সম্মেলনে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির সাত দিনব্যাপী কর্মসূচির কথা জানান রিজভী। তিনি বলেন, দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল (শনিবার) রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা বের করা হবে। নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে শোভাযাত্রাটি। কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিশৃঙ্খলা বা যেকোনো ধরনের অরাজকতা মোকাবিলায় সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরোপুরি সক্ষম ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ জনগণও যেকোনো বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে সচেষ্ট থাকবে।
রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি না করতে বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান রিজভী। আগুনে ঘি ঢেলে উত্তেজনা সৃষ্টির উসকানি শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।












