আনিস ফারুক :
জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের কঠিন দু:সময়ে রাজপথের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী ও পরিশ্রমী নেতৃত্ব বৃহত্তর ময়মনসিংহের প্রাচ্যের অক্সফোর্ড আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত সাবেক এজিএস, অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হয়ে ছাত্রদলের নেতৃত্ব দিয়ে আসা এ ছাত্রনেতা দীর্ঘ দশবছর যাবৎ পদবিহীন ছাত্র ও যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক জনপ্রিয় ও মেধাবী নেতৃত্ব রাসেল চৌধুরীর
বিশাল বর্নাঢ্য তাকলাগানো শোডাউনই প্রমাণ করেছে জেলা যুবদলের আগামীর নেতৃত্বে কতটা জনপ্রিয় এজিএস রাসেল চৌধুরী।
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর কাচিঁঝুলী মোড় থেকে শুরু হয়ে তাগলাগানো শোডাউনটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্টেশন এলাকার কৃষ্ণচুড়া চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের বিভিন্ন থানা ও ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেন।
শোডাউন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রাসেল চৌধুরী বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের যে কোনো নির্দেশ বাস্তবায়নে এবং দেশবিরোধী সকল চক্রান্ত রুখে দিতে যুবদল সদা প্রস্তুত। কর্মীদের ত্যাগ ও তিতিক্ষাকে পাথেয় করে ভবিষ্যতে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদল আরও শক্তিশালী ও গতিশীল হয়ে উঠবে।’

ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান, বিগত ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশে নিজ সহযোদ্ধাদের নিয়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন পরিচালনা করেন। দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তাকে স্বৈরাচারী সরকারের সময় ২১টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলার আসামি হতে হয়েছে।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, দুঃসময়ে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করা এবং শিক্ষিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে রাসেল চৌধুরী যুবদলকে আরও সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সক্ষম। ত্যাগী ও রাজপথের অগ্নিপরীক্ষায় উর্ত্তীণ রাজপথের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা হলে রাসেল চৌধুরীই ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার সবচেয়ে যোগ্য দাবিদার বলে মনে করছেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দক্ষিণ জেলা যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রিয় নেতৃত্ব নিহাদ রাসেল চৌধুরীর নেতৃত্বে তাকলাগানো শোডাউনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিভিন্ন ধরনের প্লেকার্ড ও ফ্যাস্টুন হাতে নিয়ে বাদ্য যন্ত্রের তালে তালে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত হয়ে বিশাল এ তাকলাগানো শোডাউনে অংশ নেয়।













