• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

আন্তর্জাতিক

স্টিফেন মিলারকে চিফ অব স্টাফ নিয়োগ – লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প

প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৩৪
আপডেট: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:৩৪

স্টিফেন মিলারকে চিফ অব স্টাফ নিয়োগ - লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প
 

স্টিফেন মিলারকে হোয়াইট হাউসের নতুন চিফ অব স্টাফ হিসেবে বেছে নিয়েছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। মিলারের এই নিয়োগ মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ট্রাম্পের জোর লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়। এর মাধ্যমে তিনি নতুন ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সাথে রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির শোচনীয় পরাজয়ের কয়েকদিনের মাথায় সুসি ওয়াইলস এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। রাজনৈতিক খবর পড়ুন

সিএনএন এবং বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের আধিপত্য হারানোর কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার রাজনৈতিক দলের কৌশলের ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ ছিলেন। ট্রাম্পের তোপের মুখে পড়ার পর ওয়াইলস পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। আগামী সোমবার থেকে মিলার তার দায়িত্ব বুঝে নিবেন।

নির্বাচনে পরাজয়ের পর এটি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম বড় কোনো রদবদল। শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে ট্রাম্প জানান, মিলার শুরু থেকেই তার সাথে আছেন এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত দক্ষ। তিনি আরও জানান, ওয়াইলস তার রাজনৈতিক কার্যক্রমে যুক্ত হবেন এবং এই রদবদলের সাথে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলো জানায়, নির্বাচনের রাতে ট্রাম্প তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং ওয়াইলসকে এর জন্য দায়ী করেছিলেন। এছাড়া ওয়াইলস স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসার কারণে ব্যক্তিগতভাবে কঠিন সময় পার করছেন। প্রথম নারী চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের যে কোনো চিফ অব স্টাফের চেয়ে বেশি সময় টিকে ছিলেন।

নতুন চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রধান রূপকার হিসেবে পরিচিত। তিনি এর আগে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা বা আইস কর্মকর্তাদের প্রতিদিন তিন হাজার অভিবাসীকে গ্রেপ্তারের নজিরবিহীন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। মিলারের স্ত্রী কেটি মিলারও স্বামীর এই পদোন্নতির জন্য পর্দার আড়ালে তদবির করেছিলেন বলে জানা গেছে। মিলারের এই নিয়োগের ফলে ট্রাম্প প্রশাসন তাদের কঠোর অভিবাসন নীতি আরও জোরদার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক কর্মকর্তা জানান, এর মাধ্যমে ট্রাম্প তার পুরনো রূপে ফিরে এসেছেন। তবে মিলারের নিয়োগ ডেমোক্রেটদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। হাউস লিডার হেকিম জেফরিস মিলারকে বিপজ্জনক বহিরাগত-বিদ্বেষী এবং বেপরোয়া চরমপন্থী আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। মিলার এর আগে মিনিয়াপোলিসে অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত অ্যালেক্স প্রেটিকে অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী এবং গুপ্তঘাতক বলে মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন। এছাড়া ভেনিজুয়েলা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে সামরিক ও মাদকবিরোধী অভিযানে তার বড় ভূমিকা ছিল, যা পরবর্তীতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে নিন্দিত হয়।সরকারি

মিলারের নিয়োগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, মিলার কখনো পিছপা হন না। হেগসেথের সাথে ওয়াইলসের সম্পর্ক আগে থেকেই তলানিতে ছিল। অন্যদিকে উপ-রাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি অবৈধ শ্রমিক নিয়োগকারী ব্যবসাগুলোর ওপর বেশি নজর দেয়ার কথা বললেও, কট্টরপন্থী মিলারের আগমনে সেই নীতির বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করা হচ্ছে। নিজ দলেও মিলারকে নিয়ে বিভক্তি রয়েছে। নর্থ ক্যারোলাইনার রিপাবলিকান সেনেটর থম টিলিস তাকে অযোগ্য আখ্যা দিলেও ইউটাহর সেনেটর মাইক লি তাকে রক্ষণশীল যোদ্ধা হিসেবে প্রশংসা করেছেন। এছাড়া মিলার এর আগে নবনির্বাচিত ডেমোক্রেট সেনেটর জেমস টালারিকোকে ট্রান্সজেন্ডার প্রার্থী বলে কটূক্তি করেছিলেন। মিলারের এই নিয়োগের ফলে নতুন কংগ্রেসে আইন পাসের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম