সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছবি : প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় বারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ায় অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কৃষক দল নেতা নুর মোহাম্মদ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে বারদী ইউনিয়ন কৃষক দলের সহসভাপতি নুর মোহাম্মদ মান্দারপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জামাল হোসেন, সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম রফিক, বারদী ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাফেজ বিল্লাল হোসেন মুন্সী, বারদী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, বারদী ইউনিয়ন কৃষক দলের সহসভাপতি জামান মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও অনুমোদন ছাড়া নিউজপোর্টালে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্নভাবে পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন।
বর্তমান সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ২০১৪ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত করার পর থেকে আওয়ামী bলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন মামালায় ফাঁসিয়েছেন। সে মামলায় থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ তার বাড়িতে নিয়মিত হানা দিয়েছেন।
অতিরিক্ত মামলার চাপ সহ্য করতে না পেরে চোরাইপথে তিনি মালোয়শিয়া পাড়ি জমিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কিছুদিন আগে দেশে এসে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তিনি প্রকাশ্যে আসেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ আমলের যেসব মামলা ছিল সেই মামলা গুলোকে পুঁজি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার ওয়ার্ডে কোন কাজ হয়নি। বর্তমান সাংসদ তাকে ভালোবেসে তার এলাকার উন্নয়নের জন্য রাস্তা, মসজিদ,কবরস্থান ও নদীর ঘাটের জন্য অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। একটি মহল হিংসায় অপপ্রচার করছে।
তিনি দাবি করেন, ওই এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারনে তার পেছনে শত্রু তৈরি হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি যুদ্ধ ঘোষনা করেছেন। এ মাদকের সঙ্গে তার ছেলেও জড়িত থাকলে তাকেও ছাড় দেওয়া হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে তার দলীয় লোকজন উঠেপড়ে লেগেছে। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন। তাকে খলনায়ক বানানোর অপচেষ্টা চলছে। তিনি ওই এলাকার ২০টি গ্রামকে জিম্মি করেছেন এমন কথাও ছড়ানো হচ্ছে।
তার বিরুদ্ধে রটানো অপপ্রচার প্রশাসনের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত দাবি করেছেন।
তিনি বলেন, তিনি জনগনের সঙ্গে আছেন। জনগন তাকে ভালোবাসে তাই তিনি ইউপি নির্বাচনের সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাব ভোটের মাধ্যমে তার ওয়ার্ডের জনগন দেবেন।












