• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

শরীয়তপুরের স্কুলে ক্লাস নিচ্ছেন দপ্তরি

প্রকাশ: রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪ ২:১৩
আপডেট: রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪ ২:১৩

963 4

শরীয়তপুরের স্কুলে ক্লাস নিচ্ছেন দপ্তরি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের ১২ নম্বর গয়ঘর খলিফা কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ক্লাস চলে দপ্তরীকে দিয়ে। মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এ বিদ্যালয়ের শ্রেণী পাঠের কাজ। এরমধ্যে একজন শিক্ষক মিটিংয়ে, অন্যজন ট্রেনিংয়ে থাকলে বা কোন কারনে না আসতে পারলে ক্লাসে পাঠদান করাতে হয় দপ্তরি রাসেল মিয়াকে।দীর্ঘদিন ধরে এ ভাবেই চলছে এ বিদ্যালয়টি। শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাসেল মিয়া একজন শিক্ষক হিসেবেই পরিচিত। কারণ দুই শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে তাকেই পাঠদান করতে হয়। অনেক সময় একসঙ্গে দুটি ক্লাস ও চালিয়ে নিতে হয় তাকে। গত সোমবার সকাল থেকে দুপুর পযর্ন্ত সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
জানা যায়, প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে স্কুল হওয়ার কারনে শিক্ষক সংকট থাকা সত্তে¡ ও স্কুলটিতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতাধিক। প্রতিদিন এসব শিক্ষার্থী স্কুলে আসলে ও শিক্ষক সংকটের কারনে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। গত ১ মে থেকে ৩ মে তিনদিন ধরে স্কুলটির সহকারী শিক্ষক পলাশ অধিকারী কারিকুলাম ট্রেনিংয়ে ও সোমবার প্রধান শিক্ষক অমল অধিকারী ক্রীড়া সংক্রান্ত একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে যায় ডোমসার । এজন্য শিক্ষকশূন্য হয়ে পড়ে স্কুলটি। ফলে সকাল সাড়ে ৯টায় একই সঙ্গে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠদান শুরু করেন স্কুলটির দপ্তরি মোঃ রাসেল মিয়া।
এ ব্যাপারে দপ্তরী রাসেল মিয়া বলেন, অমল স্যার মিটিংয়ে গেছেন, আর পলাশ স্যার ট্রেনিংয়ে থাকায় স্কুলে কোনো শিক্ষক নেই। তাই শিশুদের পাঠদান আমি নিজেই করছি। এছাড়া স্কুলে শিক্ষক সংকট থাকায় আমাকে প্রায়ই পাঠদান করতে হয়। তবে মঙ্গলবার (৪ জুন) স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন। এর সত্যতা পাওয়া গেল কয়েকজন শিক্ষার্থীর বক্তব্যে ।
স্কুলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমল অধিকারী বলেন, ক্রীড়া বিষয়ক একটি মিটিংয়ে আমি ডোমসারে আছি। মিটিংয়ের সভাপতিত্ব করেছেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার শরীফ মো. এমারত। স্কুলের অপর শিক্ষক পলাশ ১৫ দিনের ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। স্কুলে আজ কোনো শিক্ষক নেই।
১২ নম্বর গয়ঘর খলিফা কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ ইলিয়াস মিয়া বলেন, স্কুলে শিক্ষক সংকট থাকায় আমাদের আবেদনের ভিত্তিতে মামুন নামে একজন শিক্ষককে অতিরিক্ত দায়িত্বে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনিও বর্তমানে না থাকায় স্কুলে মাত্র দুজন শিক্ষক রয়েছেন। একটি স্কুল মাত্র দুজন শিক্ষক দিয়ে চালানো সম্ভব নয়। আমরা বার বার শিক্ষা অফিসে আবেদন করার পরও শিক্ষক দেওয়া হয়নি। তারা জানিয়েছেন, নতুন নিয়োগের পরে শিক্ষক দেওয়া হবে। তবে ৩ জুন এর বিষয়টি আমার জানা নেই। প্রয়োজনীয় বিষয় ছাড়া স্কুলটির শিক্ষকদের সঙ্গে আমার তেমন কথা হয় না।
এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ট্রেনিং ও মিটিং থাকার কারণে বর্তমানে শিক্ষক সংকট চলছে। তবে একটি বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষক না রেখে কেন সব শিক্ষককে ট্রেনিং ও মিটিংয়ে নেওয়া হয়েছিল, বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখব। দপ্তরি দিয়ে ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com