আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বৃটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস লেবারদের ভূমিধস নির্বাচনী বিজয়ের জেরে তার আসন হারিয়েছেন। কারণ কনজারভেটিভদের ঐতিহাসিক পরাজয় হয়েছে। তিনি তার দক্ষিণ পশ্চিম নরফোক নির্বাচনী এলাকা লেবারদের কাছে ৬৩০ ভোটে হেরেছেন। এর আগে তিনি এই আসন থেকে বিশাল (২৪,১৮০) সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্ট থেকে বহিষ্কৃত সিনিয়র টোরিদের একটি দলের মধ্যে ছিলেন, যার ফলস্বরূপ পার্টির খোলনলচে বদলানো হয়। লিজ ট্রাসের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন কমন্স নেতা পেনি মর্ডান্ট, যিনি ভবিষ্যত টোরি নেতৃত্বের প্রতিযোগী হিসাবে পরিচিত এবং সাবেক ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার জ্যাকব রিস-মগ। স্যার জ্যাকব যিনি ট্রাসের ব্যবসায়িক সচিব ছিলেন, তিনি বিবিসিকে বলেছেন, ‘এটি কনজারভেটিভদের জন্য খুব খারাপ রাত। নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে দোষারোপ করবো না।’
মন্ত্রিপরিষদের প্রতিরক্ষা সচিব গ্রান্ট শ্যাপস, বিচার সচিব অ্যালেক্স চাক এবং প্রযুক্তি সচিব মিশেল ডোনেলানসহ ৪০ জনেরও বেশি বর্তমান মন্ত্রী এবং সরকারি হুইপ তাদের আসন হারিয়েছেন। তবে চ্যান্সেলর জেরেমি হান্ট, যাকে তার গোডালমিং এবং অ্যাশ নির্বাচনী এলাকায় দুর্বল হিসাবে দেখা হয়েছিল ৮৯১ পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে নিজের আসন ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। বৃটেন জুড়ে প্রার্থী দেয়ার ক্ষেত্রে রিফর্মের সিদ্ধান্তটি টোরিদের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিচমন্ড এবং নর্থালারটনে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পরেও প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এই ফলাফলকে তার দলের জন্য একটি ‘ভয়াবহ রায়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার আসন হারানোর পর মর্ডান্ট বলেন, তার দল ‘মানুষের উপর যে আস্থা রেখেছিল তাকে সম্মান করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে দলের ওপর এই আঘাত এসেছে। তার মতে, ‘ আমাদের যদি আবার সরকারে আসতে হয় তাহলে আমাদের মূল্যবোধ অবশ্যই জনগণের হতে হবে।’
সূত্র : বিবিসি












