আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, আপনারা বলেন রাজনৈতিক খেলা শুরু হয়েছে, খেলা হবে মাঠে আসেন। আরে ভাই রাজনীতি তো খেলা না। আর যদি খেলার কথা বলেন তাহলে বলি লুডু খেলাও একটা খেলা। লুডু খেলায় যদি একবার ছক্কা মারে দ্বিতীয়বার মারতে হয়, দ্বিতীয়বার ছক্কা উঠলে ১২ পয়েন্ট, তৃতীয়বার ছক্কা মারলে কিন্তু ১৮ পয়েন্ট না হয়ে পোককা হয়ে যায়।
তিনি বলেন, এই সরকার ২০০৯ সালে মানুষকে ভাঁওতাবাজি দিয়ে নির্বাচন করে ছক্কা মেরেছে। ২০১৪ সালে মানুষকে বোকা বানিয়ে, ধোকা দিয়ে নির্বাচন করে আর একটি ছক্কা মেরেছে। ২০১৮ সালে আরেকটি ছক্কা মেরেছে। এখন তিন ছক্কার পোককা হয়ে গেছে। এই ছক্কা পোক্কার সরকারকে বাংলাদেশের জনগণের ঘাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে নামাতে হবে। প্রয়োজনের শক্তি প্রয়োগ করে নামাতে হবে। জনগণের উত্তাল তরঙ্গের মধ্য দিয়ে নামাতে হবে যাতে নতুন করে আর কোন সংকট না আসে।
শনিবার (২৭ আগস্ট) সকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদী কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সকল নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় দল।
যুবদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, একজন চাষ শ্রমিকের মজুরি ৩০০ টাকা অমানবিকতার একটা সীমা থাকে। আজ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী চা বাগানের মালিকদের সাথে বৈঠক করছে। শ্রমিকদের সাথে বৈঠক করতে তিনি রাজি না।
তিনি বলেন, এই সরকার তিন ছক্কায় পোককার হয়ে গেছে। এই পোকা হওয়ার কারণে বাংলাদেশের জনগণের কাছে তার কোন মূল্য নেই। যেহেতু তাদের মূল্য নেই সেহেতু নির্বাচন কমিশন কি বলল আর না বলল সেটার মূল্য আরও নেই। মূল্যহীন সরকার এবং মূল্যহীন নির্বাচন কমিশন নিয়ে অঝাতা কথা বলে কোন লাভ নেই। এদের রাহুগ্ররাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য যে লড়াই। সেই লড়াইয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বে, তারেক রহমানের কমান্ডে সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার জন্য আমাদের শারীরিক এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করি।
সংগঠনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এড রুহুল কবির রিজভী, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাগপার মহাসচিব এসএম শাহাদাত, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।












