• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

মানুষ আর পরিবেশের স্বাস্থ্য আলাদা নয়:প্রীতি চক্রবর্তী

প্রকাশ: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ ৭:১৫
আপডেট: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬ ৭:১৫

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি :সংগৃহীত
দেশের পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্য আলাদা বিষয় নয়। এক্ষেত্রে বর্জ রিসাইকলিংয়ের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন সোসাইটি ফর এশিয়ান সার্কুলার ইনোভেশন নেটওয়ার্কের (সাচিন) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রীতি চক্রবর্তী।

শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাচিনের আত্মপ্রকাশ হয়।

এশিয়াজুড়ে সার্কুলার ইকোনমিকে (বৃত্তাকার অর্থনীতি) এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সোসাইটি ফর এশিয়ান সার্কুলার ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (সাচিন)।

অনুষ্ঠানে শুরুতে অতিথি ও সংগঠনের বোর্ড মেম্বারদের ফুল দিয়ে বরুণ করে নেওয়া হয়।

সংগঠনটি মানুষ, পৃথিবী, অর্থনৈতিক সুবিধা, নীতি, অংশীদারত্বে এই ৫টি লক্ষ নিয়ে কাজ করার কথা জানান।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের মধ্যে ছিলেন- বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ডেলিগেশনের সার্কুলার ইকোনমি, বেসরকারি খাত ও পরিবেশ বিষয়ক অ্যাটাশে-প্রোগ্রাম ম্যানেজার হুবার্ট ব্লম এবং ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের চেয়ারপারসন নূরিয়া লোপেজ।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তী, সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট শিহাবুর রহমান, জেনারেল সেক্রেটারি ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাফায়াত হোসেন, বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সাংবাদিক মোল্লা এম. আমজাদ হোসেন, সংগঠনের জয়েন্ট সেক্রেটারি শেখ মো. রিজভী নেওয়াজ, ট্রেজারার মো. নাজমুছ ছাকিব, এক্সিকিউটিভ মেম্বার কাজী রোজানা আক্তার মাহফুজুর রহমান।

সংস্থাটির লক্ষ্য হলো- গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতি-নির্ধারণী সম্পৃক্ততা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে এশিয়াজুড়ে টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।

সাচিনের স্লোগান ‘থিংক সার্কুলার, ইনোভেট রিজিওনালি, ইমপ্যাক্ট গ্লোবালি’। এর মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে এমন এক এশিয়া গড়ে তোলার স্বপ্ন, যেটি সার্কুলার ইকোনমি এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।

সংস্থাটি প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি খাত পোশাক-শিল্পকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম শুরু করছে। পর্যায়ক্রমে কৃষি, উৎপাদন, নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট, স্বাস্থ্যসেবা, প্লাস্টিক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আর্থিক পরিসেবা, পানি ও স্যানিটেশন, জাহাজ নির্মাণসহ আরও বিস্তৃত শিল্পখাতে কাজ করবে।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সাচিনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তী বলেন, শুধু ব্যবসায় নয় দেশের স্বাস্থ্য ও পরিবেশে প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে।

উৎপাদন বাড়বে কিন্তু প্রকৃতি ধ্বংস হবে না এমন কাজ করতে হবে। এটার জন্য প্রয়োজন সার্কুলার ইকোনমিকে। পরিবেশগত টেকসইতা ও জনস্বাস্থ্য গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বাতাস দূষিত হলে শিশু ও বয়স্করা কষ্ট পায়। পানি দূষিত হলে মানুষ অসুস্থ হয়। টেকসই উন্নয়ন এখন আর ঐচ্ছিক নয়, এটি অপরিহার্য।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও তাদের কাজ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষ করে এসডিজি ১২ (দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন), এসডিজি ১৩ (জলবায়ু কার্যক্রম) এবং এসডিজি ১৭ (লক্ষ্য অর্জনের অংশীদারত্ব)- এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সংস্থাটি এশিয়ার জন্য একটি টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সার্কুলার ভবিষ্যৎ গড়তে সরকার, শিল্প খাত, উন্নয়ন অংশীদার, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়, যুবসমাজ ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সাংবাদিক মোল্লা এম. আমজাদ হোসেন তিনি বলেন, বাংলাদেশে পরিবেশ ও বিনিয়োগের জন্য নীতিগুলো ভালো। কিন্তু এটা যখন বাস্তবায়ন করা কঠিন। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ব্যবহার বসত বাড়িতে বাড়লেও শিল্পতে তেমন বাড়েনি। সামাজিক ও নৈতিক অধিকার সংরক্ষণ করে উন্নয়ন করতে হবে। কয়লার চেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণ করে ফার্নিস ওয়েল। রিকশায় ব্যাটারি যুক্ত করে যে পরিমাণ বি খরচ হচ্ছে, কিন্তু কৃষিখাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যুৎ দেওয়া যাচ্ছে না। বিদ্যুৎ মার্চেন্টে হবে এই বলে ইউনুস সরকার জাতির সঙ্গে একটি প্রতারণা করেছে। কারণ এইটা ২০১৪ সাল থেকে এটা আছে। রিসাইকলিং এর কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ সংরক্ষণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম