রংপুরের গঙ্গাচড়ায় যুবদলের মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ এবং যুবদলের সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন।
যুবদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে যুবদল এটা হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় মিছিল বের করে উপজেলা যুবদল। এতে বাধা দেয় পুলিশ। এ নিয়ে প্রথমে বিতণ্ডা ও পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করতে শুরু করলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় যুবদল নেতা-কর্মীরা। এক পর্যায়ে যুবদল নেতাকর্মীরাও পুলিশের উদ্দেশে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে বাঁধে সংঘর্ষ।
সংঘর্ষে অন্তত ৬০-৬৫ জন যুবদল নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে।
রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি নাজমুল আলম (নাজু) বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে এগোচ্ছিলাম। এ সময় পুলিশ নির্বিচারে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে এবং রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এতে আমাদের অন্তত ৭০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমরা প্রকাশ্যে তাদের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারিনি।
গঙ্গাচড়া থানার ওসি দুলাল মিয়া জানান, মিছিল থেকে যুবদল নেতা-কর্মীরা পুলিশের উদ্দেশে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ এবং টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। আমিসহ অন্তত দশ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।












