• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ’লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন

প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ ৯:০২
আপডেট: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬ ৯:০২

9659852 21

আগস্টে সারা দেশে শোডাউনের চিন্তা আ’লীগের, ২ ডজন কমিটি গঠন

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
আসন্ন আগস্ট মাসে ঢাকাসহ সারা দেশে বড় ধরনের শোডাউন করার চিন্তা করছে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মী। এজন্য নানা কৌশলে তারা সংঘটিত ও সক্রিয় হচ্ছে।

নিষিদ্ধ থাকার পরও এরই মধ্যে জেলা-উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কমিটি দিয়েছে ছাত্রলীগ। সিরাজগঞ্জ, খাগড়াছড়ি, শেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজসহ প্রায় দুই ডজন কমিটি গঠন করেছে তারা।

এদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে মাঠের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা চাঙ্গাভাব দেখা যায়। নির্বাচনের পরপরই আত্মগোপনে থাকা মধ্যম সারির কিছু নেতা প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছেন। বিদেশ থেকেও কিছু নেতা দেশে ফিরেছেন। তবে এসব নেতা এলাকায় চুপচাপ অবস্থান করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার সামনে আরও বাড়তে পারে। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে বর্তমানে সরকারের কেউ প্রকাশ্যে কথা বলছে না।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধান টার্গেট ছিল ড. ইউনূস। কারণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর ড. ইউনূস প্রথম ভারতের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলেছেন। ক্ষমতায় এসে তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। বাংলাদেশকে ডিস্টার্ব করলে ভারতের সেভেন সিস্টার ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল ড. ইউনূস।

এ ছাড়া বাংলাদেশে সংস্কার আনা, মার্কিন চুক্তি ও দেশে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থাকুক— এটা ভারত চায় না। এসব কারণে ড. ইউনূস ভারতের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। আর ভারতের টার্গেট মানেই আওয়ামী লীগের টার্গেট। মূলত এ দেশে ভারতের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করে আওয়ামী লীগ। এ অবস্থায় ড. ইউনূসকে নিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে আবার একজোট হওয়া উচিত।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম কালবেলাকে বলেন, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। তাকে হেয়প্রতিপন্ন করলে ব্যক্তির চেয়ে দেশের সুনাম বেশি নষ্ট করা হবে। আমার নেতিবাচক কোনো সমালোচনাকে সমর্থন করি না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থাকবে, তবে যুক্তিতর্ক দিয়ে সমালোচনা করতে হবে। গায়ের জোরে লাগামহীন সমালোচনা করা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নয়।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন কালবেলাকে বলেন, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক কৌশলে ফেরার চেষ্টা করবে; অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের দুর্নীতিসহ নানা বিষয়ে তারা রাজনীতি করার চেষ্টা করবে; দেশে ঢোকার সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবে— এটাই স্বাভাবিক। তবে যাই করতে হবে, আইনি কাঠামোর মাধ্যমে। কোনো হঠকারিতা দেশের মানুষ আর মেনে নেবে না।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com