• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

কনটেস্ট ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে রেকর্ড ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ ৮:২৩
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ ৮:২৩

96665332

কনটেস্ট ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে রেকর্ড ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন

নিজস্ব প্রতিনিধি
ছবিঃ প্রতিনিধি
২৩ হাজারেরও বেশি তরুণ বাংলাদেশি যখন তাদের স্মার্টফোন হাতে তুলে প্রতিদিনের মুহূর্তগুলোকে গল্পে রূপান্তরিত করে, তখন কী হয়? এই ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে-তে অপো ঠিক সেই অসাধারণ সৃজনশীলতাকেই উদযাপন করছে। ‘এভরি ফটো টেলস আ স্টোরি’ শীর্ষক অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬, গ্র্যান্ড ফিনালেতে পৌঁছেছে; আর সারাদেশ থেকে এতে রেকর্ড পরিমাণ ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন এসেছে।

ফটোগ্রাফি আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজলভ্য। একসময় যা কেবল পেশাদার ফটোগ্রাফার ও বিশেষ যন্ত্রপাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, সেই ফটোগ্রাফি আজ এক সর্বজনীন ভাষা হয়ে উঠেছে। ঢাকার কোনো রাস্তার একটি মুহূর্ত, প্রকৃতির নিভৃত সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, পোর্ট্রেট বা কম আলোয় ধারণ করা দৃশ্য; সঠিকভাবে দেখলে এর সবই একেকটি গল্প হয়ে উঠতে পারে।

অপোর কাছে ফটোগ্রাফি সবসময়ই উদ্ভাবনের কেন্দ্রে রয়েছে। সেলফি প্রযুক্তিতে পথ দেখানো থেকে শুরু করে এআই-সক্ষম ইমেজিং, পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফি, নাইট ফটোগ্রাফি সহ বিভিন্ন ইমেজিং সক্ষমতা উন্নত করা পর্যন্ত, অপো সবসময় সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে ফটোগ্রাফি আরও সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে। ব্র্যান্ডটি বিশ্বাস করে, ফটোগ্রাফি কেবল প্রযুক্তির বিষয় নয়; এটি মানুষকে নিজের মতো করে দেখতে, সৃষ্টি করতে ও গল্প বলতে সক্ষম করে তোলার বিষয়।

বাংলাদেশে এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি প্রেজেন্টস অপো ফটোগ্রাফি কনটেস্ট ২০২৬’, যা দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফটোগ্রাফি ও ভিজ্যুয়াল আর্টস প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের সাথে অংশীদারিত্বে আয়োজন করা হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় সারা বাংলাদেশের ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের স্মার্টফোনে তোলা ছবি পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে জমা দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো- পোর্ট্রেট; নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ; স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার; লো লাইট; ও হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার।

এতে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। প্রতিযোগিতায় ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন পড়েছে, যা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফটোগ্রাফির প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সৃজনশীল প্রকাশের হাতিয়ার হিসেবে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাকে প্রতিফলিত করে।

গ্র্যান্ড ফিনালের দিকে এগিয়ে আসার সাথে সাথে যেন উদ্দীপনা আরও বাড়ছে; হাজারো এন্ট্রির মধ্য থেকে কোন ফটোগ্রাফারের দৃষ্টিভঙ্গি ও গল্প আলাদাভাবে বোঝা যাবে? বিজয়ীদের একাধিক ধাপে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, যেন প্রতিটি ধাপে সৃজনশীলতার উদযাপন যথাযথভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড উইনার পাবেন ১,০০,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার, একটি অপো ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এলিট উইনার পাবেন ৫০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। মাস্টার উইনার পাবেন ৩০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। এবং প্রতিটি ক্যাটাগরি উইনার পাবেন ২০,০০০ টাকা, একটি অপো স্মার্টফোন ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে, ফটোগ্রাফি তরুণদের জন্য নিজেদের পরিচয় ও বিশ্বকে দেখার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যমগুলোর একটি। ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে আমাদের জন্য প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার একটি অসাধারণ সুযোগ। এটি কেবল ইমেজিং প্রযুক্তির প্রতি নয়; বরং, দেশজুড়ে আমরা যে সৃজনশীল কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই তার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও। ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আমাদের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের গল্পগুলো ভাগাভাগি করে নিয়েছেন; এটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক। এই আবেগ ও সৃজনশীলতাকে আরও বিকশিত হতে সহায়তা করবে আমরা এমন প্ল্যাটফর্ম ও সুযোগ তৈরি করতে চাই।”

এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে সৃজনশীল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার প্রতি অপোর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। স্মার্টফোন প্রযুক্তি, পাঠশালার মতো পেশাদার ফটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠান ও হাজারো উদীয়মান ফটোগ্রাফারকে একত্রিত করার মধ্য দিয়ে এই উদ্যোগের লক্ষ্য কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়; বরং তারচেয়েও বেশি কিছু। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে যেখানে উদীয়মান ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলাররা স্বীকৃতি পাবেন, পেশাদারদের কাছ থেকে শিখতে পারবেন এবং তাদের অনুভূতিকে আরও এগিয়ে নিতে পারবেন।

এবারের ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি ডে-তে ২৩ হাজারেরও বেশি সাবমিশন এক শক্তিশালী স্মারক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে; যেখানে ফটোগ্রাফি এখন আর দামি ক্যামেরা বা পেশাদার স্টুডিও দিয়ে পরিমাপ করা হয় না। কেবল অনুভূতি আর এর তীব্র বহিঃপ্রকাশের মধ্য দিয়েই ফুটে ওঠে এই দৃষ্টিভঙ্গি।

আর গ্র্যান্ড ফিনালে এগিয়ে আসার সাথে সাথে একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, ২৩ হাজারেরও বেশি গল্পের মধ্য থেকে কোন ছবিটি সবাইকে ছাড়িয়ে যাবে!


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com