• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রংপুরে ৪ হত্যা: কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ

প্রকাশ: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩৪
আপডেট: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩৪

9666522352

রংপুরে ৪ হত্যা: কারাগারে সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ

রংপুর প্রতিনিধি
ছবি : সংগৃহীত

রংপুরে আলোচিত একই পরিবারের চার খুনের মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের জন্য প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে তাদের কারাগার থেকে বাইরে না এনে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারেই নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশ।

রবিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে আসামিদের নমুনা সংগ্রহ করে। এ সময় ডিবি দলের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের (রমেক) ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী ছিলেন।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, আদালত দুই আসামির ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর হওয়ায় আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করে পুলিশ। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে কারাগারে টেকনোলজিস্ট পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুরোধ জানায় ডিবি। অনুমতি পাওয়ার পর তাদের নিয়ে কারাগারে যায় তদন্তকারী দল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর আসামিদের নমুনা সংগ্রহের জন্য কারাগারে যাওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা যায়নি। তাই রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজের টেকনোলজিস্ট মোহাম্মদ আশরাফ বলেন, ডোপ টেস্টের জন্য আসামিদের ইউরিন স্পেসিমেন বা প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ সব নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হবে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর। আসামিদের বাইরে নিয়ে আসা হলে তাদের ওপর হামলা কিংবা যেকোনো সময় মব সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছিল। পরে টেকনোলজিস্টকে সঙ্গে নিয়ে কারাগারে গিয়ে আসামিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

এ দিকে ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই একই এলাকার প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তভার নেয় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তবে মামলার তদন্তে ডোপ টেস্টের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত ও তথ্য-প্রমাণও যাচাই করা হচ্ছে।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com