শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাবার কাছে ২০০ টাকা চাওয়ার পর ২০ টাকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাবাকে মারধরের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই এমদাদ হোসেন রাসেল (৩৫) নামের এক যুবককে ডাব কাটার হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাই ইমরান হোসেনের (৩০) বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেলের মৃত্যু হয়।
নিহত রাসেল ওই গ্রামের ডাব ব্যবসায়ী আহাদ হোসেনের বড় ছেলে। অভিযুক্ত ইমরান হোসেন তার ছোট ছেলে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে রাসেল তার বাবা আহাদ হোসেনের কাছে ২০০ টাকা চান। রাসেল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত থাকায় তার অত্যাচারে পরিবার অতিষ্ঠ ছিল।
এ কারণে আহাদ হোসেন ২০০ টাকার পরিবর্তে তাকে ২০ টাকা দিয়ে চলে যেতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল বাবাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে ছোট ভাই ইমরান বাড়িতে এসে বাবার ডাব কাটার হাঁসুয়া দিয়ে রাসেলের পায়ে কোপ দিলে রাসেল গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে কুষ্টিয়া সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর আজ শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, নিহত রাসেলের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় তিনটি এবং ঈশ্বরদী থানায় একটি মাদকের মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইমরান হোসেন পলাতক রয়েছেন। পুলিশ রাসেলকে রাজশাহী নেওয়া অ্যাম্বুল্যান্স ও তার তিন স্বজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে এসেছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাসেল তার বাবার কাছে ২০০ টাকা চান। বাবা ২০ টাকা দেওয়ায় রাসেল তাকে মারধর করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট ভাই ইমরান বাড়িতে থাকা হাঁসুয়া দিয়ে রাসেলের পায়ে কোপ দেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে কুষ্টিয়া ও পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আ/আ













