স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
গণফোরামের একাংশের জাতীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে শনিবার (১২ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে মোকাব্বির-মন্টু দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় মোকাব্বিরসহ ২০ নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় একে অপরকে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করে।
বিষয়টি নিয়ে নিজেদের বক্তব্য জানাতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করে মোস্তফা মোহসীন মন্টু নিয়ন্ত্রিত গণফোরাম।
এসময় তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছি এই সম্মেলন সম্পূর্ণ অবৈধ ও গণতন্ত্রবিরোধী। নিজের আন্তঃকোন্দল এবং ভাড়াটে লোকজন দিয়ে সম্মেলন করার ব্যর্থতা ঘোচাতে চায় তারা। এজন্য অত্যন্ত সুকৌশলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে গণফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, ঢাকা জেলা, যুব ফোরাম, মহিলা ফোরাম ও ছাত্র ফোরামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের জড়ানোর চেষ্টায় লিপ্ত ছিল। আমাদের সিনিয়র নেতারা তাদের পাতানো ফাঁদ থেকে তরুণ নেতাদের বের করে আনতে সক্ষম হয়। তথাকথিত সম্মেলনে কমিটি দিতে না পারাই প্রমাণ করে তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী। বক্তব্যে বলা হয়, সকাল ১০টায় গণফোরাম ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, ঢাকা জেলা, মহিলা ফোরাম, যুব ফোরাম ও ছাত্র ফোরাম যৌথভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে। এসময় তথাকথিত কাউন্সিলের উদ্যোক্তারা মানববন্ধনে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও অশালীন আচরণ করে। কথিত ঘটনায় গণফোরামের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয়। তথাকথিত কাউন্সিলে সমবেত কর্মীরাই তাদের নিজেদের অনৈক্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, আমরা গণফোরামের পক্ষ থেকে প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করছি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সবাইকে গণফোরামকে বিভক্তির হাত থেকে রক্ষা করতে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাই।
শনিবার সকালে গণফোরামের দুই অংশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ নেতাকর্মী আহত হন। সম্মেলনের জন্য আনা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এক পক্ষকে প্রেস ক্লাব থেকে বের করে দেয়।













