ছেলে যুবদলের রাজনীতি করাটাই যেন অশনি ডেকে আনল বাবা মো. মিল্লাত হোসেনের ভাগ্যে। ছেলেকে না পেয়ে তাকে বেধরক মেরে প্রাণহানি ঘটায় প্রায় অর্ধশত লোক। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে জানান এই প্রতিবেদক।
এ সময় এলাকাবাসীরা নাম ও ছবি না প্রকাশ করার শর্তে জানান, ঘটনাটি বুধবার (৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পর ঘটেছে। ওয়ারী থানাধীন ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত মিল্লাত হোসেনের বাসায় তার ছেলে ফয়সাল মেহবুব মিজুকে খুঁজতে আসে প্রায় ৫০ জন।
মিজু ওয়ারী থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। কিন্তু সে সময় মিজু বাসায় ছিলেন না। মিল্লাত দেখলেন ৫০ জনের সবাই খুবই মারমুখী। তিনি তাদের শান্ত করতে চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় তারা বাসাটিতে ভাংচুর শুরু করে। তাতে বাধা দিলে মিল্লাতকে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত করে তারা। চলে যাওয়ার সময় তারা অসম্ভব বাজে রকমের গালিগালাজ দিচ্ছিলেন। এদের কয়েকজন বলছিলেন, ‘কইলজা কত্ত বড়! বিএনপির টাইম আছে রে? আমগো এলাকায় থাইকা, পইড়া, আওয়ামী লীগেরটা খায়া, গেছছ বিএনপি করতে। ঠিকই আছে। দিসি। একদম।’
পরে তাকে ধুপখোলা এলাকার আজগর আলী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে ওয়ারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি দেখছেন। ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে, আসলে কীভাবে মারা গেছেন।’












