• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

‘রেইনবো নেশন’ যুদ্ধাপরাধীদের স্বীকৃতির দলিল: ১৪ দল

প্রকাশ: বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২২ ৬:৫৪
আপডেট: বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২২ ৬:৫৪

jpeg 110

‘রেইনবো নেশন’ যুদ্ধাপরাধীদের স্বীকৃতির দলিল: ১৪ দল

বিএনপি ঘোষিত ২৭ দফার ‘রেইনবো নেশন’ ও ‘ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন কমিশন’র লক্ষ্য একই বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের নেতারা। তারা বলেছেন, দালাল আইন বাতিল করে জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি ও সমাজে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিল। তাদের (বিএনপি) রেইনবো নেশনের অর্থই হচ্ছে— পরাজিত শক্তিকে ও খুনি-অপরাধীদের আরেক দফা রাষ্ট্র ও সমাজের স্বীকৃতি দান।

বুধবার (২১ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র এবং সমন্বয়ক আমির হোসেন আমুর ইস্কাটনের বাসায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে এসব কথা বলা হয়।
আমির হোসেন আমু বলেন, ‘‘১৪ দল কখনই একাত্তর ও পঁচাত্তরের খুনিদের সঙ্গে ‘রিকনসিলিয়েশন’ ও ‘রেইনবো নেশন’ নামের এই সুচতুর পদক্ষেপ গ্রহণ করে না। এই দুটি প্রশ্ন বহু আগেই মিটমাট হয়ে গেছে। আবার নতুন করে করার কোনও প্রয়োজন নেই।’’
বিএনপির ২৭ দফার অন্যান্য দফা সম্পর্কে তাদের শাসনামলেরই অভিজ্ঞতা দেশবাসীর আছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিএনপির এই রাজনীতি জনগণ অতীতে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এবারও করবে। তাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলনে শরিক হয়েছে, তারাও আমাদের অজানা নয়। খুবই ক্ষুদ্র স্বার্থে তারা এক হয়েছেন।’ দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এর থেকে দূরে থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আমু।

বিএনপি বর্তমান সরকারের মৌলিক সংশোধনের কথা বলে তারা অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখলকে নিষ্কণ্টক করতে চায় বলে দাবি করেন ক্ষমতাসীন দলের প্রবীণ আমু।
১৪ দল জোটগতভাবে মাঠে কর্মসূচি পালন করেছিল, আগামীর কর্মসূচিও সেভাবে হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘আমরা আমাদের রাজনৈতিক ধারা নিয়ে মাঠে থাকবো। এই ধারার বিপরীত অবস্থানের বিরোধিতা করবো। তারা এর আগে ১০ দফা, ১৪ দফাসহ বিভিন্ন ধরনের দফা দিয়েছিল, এগুলো নতুন কিছু না। তাদের এ আন্দোলন নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই।’

বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনে বিভিন্ন প্রগতিশীল দলেরও অংশগ্রহণ আছে,বিষয়টি কীভাবে দেখছেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বা প্রগতিশীল হলে জামায়াতের সঙ্গে তারা যুগপৎ আন্দোলন করতো না। যারা যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের ঘোষণা দেয়, তারা প্রগতির ধারার মধ্যে আছে বলে মনে করি না।’

রাষ্ট্র সংস্কার রেইনবো নেশনের নামে রাজাকার, জঙ্গি, জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের ঐক্যের কালো দলিল বলে মনে করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘কালো দলিল যারা সমর্থন
তারা আর যাই হোক, বাম বা প্রগতিশীল ঘরানার লোক হতে পারে না। তারা বিচ্যুত। ২৭ দফা ও ১০ দফা কার্যত বাহাত্তরের সংবিধানকে বানচাল করার সুকৌশল প্রস্তাব। যারা এটা সমর্থন করে তারা গণতান্ত্রিকও না, প্রগতিশীলও না।’

জামায়াত, জঙ্গি, যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে রাজনৈতিক পার্টনারশিপ থাকবে তত দিন পর্যন্ত, ২৭ কেন ২৭০ দফা দিলেও আমলযোগ্য নয় বলে দাবি করেন ইনু। তিনি বলেন, ‘এখানে রাষ্ট্র মেরামতের নামে কার্যত বাংলাদেশে রাজাকারদের আমদানি করার চক্রান্ত শুরু হয়েছে। সেই আন্দোলনে যদি কোনও রাজনৈতিক নেতা, তিনি মুক্তিযোদ্ধা হন কিংবা কোনও বামপন্থী হন, তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির কুলাঙ্গার। তার সঙ্গে লেনদেন হতে পারে না।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারী প্রমুখ।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com