• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

মাত্র ৫০০ সাহায্য চেয়ে দুদিনে পেলেন ৫৫ লাখ

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২ ৬:১৩
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২ ৬:১৩

jpeg 114

মাত্র ৫০০ সাহায্য চেয়ে দুদিনে পেলেন ৫৫ লাখ

ক্ষুধার্ত বাচ্চাদের খাবার কিনে দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্য চেয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন এক নারী। এরপর ওই নারীর জন্য লাখ লাখ রূপি সাহায্য পাঠিয়েছে বহু অচেনা মানুষ।

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরালা রাজ্যের ৪৬ বছর বয়সী অধিবাসী সুভদ্রার সঙ্গে ঘটেছে এ ঘটনা। 

বিবিসি জানিয়েছে, স্বামী মারা যাওয়ার পর অন্ন সংস্থান করতে পারছিলেন না। খাদ্য কেনার জন্য সুভদ্রা তার ছেলের শিক্ষিকার কাছে মোট ৫শ রূপি সাহায্য চেয়েছিলেন।

তার এই দুরবস্থা দেখে ওই শিক্ষিকা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সাহায্য চেয়ে একটি প্রচারণা শুরু করেন। গত রোববার পর্যন্ত ওই পরিবারটি ৫৫ লাখ রূপি সাহায্য পেয়েছে।

গত আগস্ট মাসে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই অন্ন সংস্থান করতে হিমশিম খাচ্ছেন সুভদ্রা। তিনি শুধু তার এই নামটুকুই বলেছেন।

তিন ছেলের মধ্যে ছোটটি সেরেব্রাল প্যালসিতে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি কোন চাকরি খুঁজতে পারছিলেন না। 

গত শুক্রবার সুভদ্রা তার মেঝো ছেলের স্কুলের শিক্ষিকা গিরিজা হরিকুমারের কাছে গিয়ে বলেন, ছেলেদের খেতে দেওয়ার মত কিছু আর তার ঘরে নেই। 

হিন্দি ভাষার শিক্ষিকা হরিকুমার বিবিসিকে বলেন, তিনি তার ছাত্র অভিষেকের কাছে আগেও জানতে চেয়েছিলেন যে বাবার মৃত্যুর পর তারা কোন সমস্যায় আছে কি না। কিন্তু এই প্রথম অভিষেক বা তার মা সাহায্যের হাত পেতেছে। 

তিনি বলেন, আমি তাকে এক হাজার রূপি দেই এবং বলি যে আমি কিছু একটা করব। তারপর তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখি তারা হতদরিদ্র অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। তাদের রান্নাঘরে সামান্য কিছু খাদ্যশস্য আছে, শিশুদের খাওয়ার মত কিছু নেই। তখন আমি ভাবলাম, সুভদ্রাকে সামান্য কিছু সাহায্য দেয়ার কোন মানে নেই। কারণে এতে তার পরিবারের তেমন কোন উপকার হবে না। 

শুক্রবার সন্ধ্যাবেলায় পরিবারটির অবস্থা জানিয়ে ফেসবুকে একটা পোস্ট লেখেন হরিকুমার এবং সবার কাছে আহ্বান জানান সম্ভব হলে কিছু সাহায্য সহযোগিতা করতে।

ওই পোস্টে সুভদ্রার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বরও উল্লেখ করে দেন হরিকুমার। যাতে সাহায্য সরাসরি সুভদ্রার কাছে গিয়েই পৌঁছায়।

সোমবারের মধ্যে পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরই মধ্যে সুভদ্রার অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে ৫৫ লাখ রূপি।

এই টাকার কিছুটা সুভদ্রাদের অসমাপ্ত বাড়ির কাজ শেষ করতে খরচ হবে যে বাড়িটার কাজ তার স্বামী মৃত্যুর আগে শুরু করে গিয়েছিলেন। বাকিটা ব্যাংকেই জমা থাকবে তাদের খরচ চালানোর জন্য।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com