আগামী ৯ জানুয়ারি দেশব্যাপী বিক্ষোভ করবে বাম গণতান্ত্রিক জোট। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন, ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, নিত্যপণ্যের দাম কমানোসহ জনজীবনের সংকট সমাধানের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।
শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ সমাবেশে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের প্রতিবাদে দেশব্যাপী ‘কালো দিবস’ পালন করেছে জোট। এরই অংশ হিসেবে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাসদের (মার্কসবাদী) মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের হারুন অর রশীদ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আব্দুল আলী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির শহিদুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ। পরিচালনা করেন বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান লিপন।
নেতারা ২০১৮-এর নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদ ভেঙে দেওয়া, সরকারের পদত্যাগ ও নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তদারকি সরকারের বিষয়ে আলোচনা শুরুর দাবি জানান। তাঁরা বলেন, বর্তমানে যাঁরা ক্ষমতায় আছেন এবং অতীতে যাঁরা ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁরা মুখে ভালো কথা বললেও ক্ষমতায় গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বার্থ দেখেননি। নানা কারসাজির মাধ্যমে নূ্যনতম ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। গণতন্ত্র হরণ ও ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছেন। লুটপাট আর বৈষম্যের দেশ বানিয়েছেন।
নেতারা বলেন, তাঁরা মুখে সংবিধানের কথা বললেও সংবিধানে যে অর্থনৈতিক রূপরেখা ও শ্রমিকের মজুরিসহ জনগণের স্বার্থের কথা লেখা আছে, তা মানেননি। এখন এসব দল কথার ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে। এ সংকট উত্তরণে দুঃশাসনের অবসান ও ব্যবস্থা বদলের সংগ্রাম অগ্রসর করতে বাম গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল দল, সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গের বিকল্প শক্তি সমাবেশ গড়ে তুলতে হবে। তাঁরা বলেন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ জনজীবনের সমস্যা সমাধানে বাম গণতান্ত্রিক জোট ঘোষিত আশু ১০ দফা কর্মসূচিতে নীতিনিষ্ঠভাবে সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। সমাবেশ শেষে কালো পতাকা হাতে বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পুরানা পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়।












