বনিবনা না হওয়ায় আশির দশকের শেষ দিকে আলাদা থাকতে শুরু করেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেতা রণধীর কাপুর ও তার স্ত্রী ববিতা। অবশেষে বিভেদ ভুলে আবারও এক ছাদের নিচে থাকতে শুরু করেছেন তারা। মাঝখানে কেটে গেছে দীর্ঘ ৩৫ বছর। ৭৬ বছর বয়সে সংসার পাতলেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।
এই জুটির আরও একটি পরিচয় আছে। তারা বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর ও কারিনা কাপুরের বাবা-মা। ববিতা এবং রণধীর যে সময় সংসার পেতেছিলেন তখন বিয়েকে মূলত একটা ধর্মানুষ্ঠান বলেই দেখা হতো। তখন স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ, আলাদা হয়ে যাওয়া— এই বিষয়গুলো খুব একটা ভালো চোখে দেখা হত না। সেই সময় দাঁড়িয়ে ১৭ বছর সংসার করার পর আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তারা। কিন্তু কখনও তাদের আইনি বিচ্ছেদ হয়নি।
তবে নতুন করে বিয়ে করেননি রণধীর। দীর্ঘদিন পর তার সংসারে ফিরে এসেছে স্ত্রী ববিতা। ৮০’র দশকে মতের নানা অমিলের কারণে আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। দুই মেয়ে করিনা কাপুর ও করিশমা কাপুরকে নিয়ে স্বামীর সংসার ত্যাগ করেন তিনি।
তারপর বহু বছর কেটেছে। দুই মেয়ের প্রতিষ্ঠিত। ববিতারও বয়স এখন ৭৫ বছর। তাই জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আর আলাদা নয়, আবারও কাছাকাছি থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এই মুহূর্তে বান্দ্রায় নতুন ফ্ল্যাটে থাকেন রণধীর। এর আগে তিনি থাকতেন চেম্বুরে তার পারিবারিক ভিটেতে। তবে সেই বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার পরেই নাকি রণধীরের কাছে ফিরে এসেছেন ববিতা। গত সাত মাস ধরে দুজনে আবার পেতেছেন সুখের সংসার।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুসারে, বান্দ্রার বাড়িতে গত সাত মাস ধরেই একসঙ্গে থাকছেন ববিতা-রণধীর। আর মা-বাবার এই সিদ্ধান্তে খুশি কারিনা আর কারিশমাও। মাঝে ২০০৮ সাল নাগাদও শোনা গিয়েছিল বলিউডের এই দুই কিংবদন্তি জুটি একসঙ্গে থাকবেন। পরে রণধীর নিজেই জানান, আপাতত এরকম হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।
এদিকে এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন কারিনা-কারিশমা। জানা গেছে, দীর্ঘদিন পর বাবা-মাকে একসঙ্গে দেখে তাদের আনন্দ যেন ধরছে না।












