স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশের ইতিহাসকে আরও ছড়িয়ে দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস জানার মধ্য দিয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্মের ভেতর একটা চেতনা জাগ্রত হবে, ফলে তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং মানুষের কল্যাণে তারা আরও কাজ করতে উৎসাহ পাবে। ’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার (২৭ মার্চ) সকালে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) কার্যালয়ে স্থাপিত ‘মুজিব কর্নার’ উদ্বোধনকালে দেয়া ভাষণে আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই মানসিকতা যত বেশি ফিরে আসবে তত আমার দেশ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং সংস্কৃতিক দিক থেকে এগিয়ে যাবে। ’
তিনি বলেন, ‘আজকে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। কেননা ২১ বছর আমাদের বিজয়গাথা মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল, নতুন প্রজন্মের অনেকে সে ইতিহাস জানতেই পারেনি। আজকে তা আবার ফিরে এসেছে।’
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন সরকারে থাকার ফলে বাংলাদেশ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সমগ্র বিশ্ব এখন বাংলাদেশকে মর্যাদার চোখে দেখে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশ এখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যদ্যের ভূমিকার প্রশংসা করে। ’ বিদেশি অতিথিরা দেশে এলে তাঁদের নিরাপত্তায় থাকা এসএসএফ সদস্যদেরও ভূয়সী প্রশংসা করে থাকেন বলে তিনি জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই যে কর্নারটা করা হয়েছে সেখানে ইতিহাসের অনেক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। কাজেই যারা দায়িত্ব পালন করতে আসবে তারা একদিকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে, আর বিজয়ী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে চলার প্রেরণা পাবে। কারণ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তির যুগে আমাদের জ্ঞান-বিজ্ঞানে যেমন সমৃদ্ধিশালী হতে হবে, তেমনি ইতিহাসের শিক্ষা থেকেই আমরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎটা আরো উজ্জ্বল করব, উন্নত করব। ’
এসএসএফ সদস্যদের জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি যখন দোয়া করেন শুধু নিজ পরিবারের জন্যই নয়, সহকর্মী এবং দেশবাসীর জন্যও দোয়া করেন। বিশেষ করে যাঁরা তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন তাঁদেরও মঙ্গল কামনা করেন তিনি।













