• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

শিক্ষাঙ্গন

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চান ছাত্রলীগ নেত্রী অন্তরা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ৯:২৮
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ ৯:২৮

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চান ছাত্রলীগ নেত্রী অন্তরা

ফুলপরী খাতুনকে নির্যাতনের ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে সাময়িক বহিষ্কার হওয়া ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা চৌধুরী অন্তরা তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়েছেন। সেই সঙ্গে একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণসহ স্থগিত হওয়া ফল প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসানের কাছে বুধবার (১২ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি আবেদন জমা দিয়েছেন অভিযুক্ত অন্তরা।

আবেদনে অন্তরা বলেন, গত ৪ এপ্রিল ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় আমাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি বর্তমানে ফাইনাল ইয়ারে অধ্যয়নরত। আমার অনলাইন ক্লাস চলমান। আপনার দপ্তর থেকে আমাকে দুই দফায় যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট কোনো ধারা উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি আরো বলেন, আমি দৃঢ়চিত্তে বলতে পারি আমি উক্ত র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় কোনোভাবেই অংশ নেইনি।

আবেদনে এই ছাত্রলীগ নেত্রী সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, ক্লাস ও পরীক্ষা দেওয়ার অনুমুতি প্রদান এবং তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের অনুরোধ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসান বলেন, আবেদনটি পেয়ে একাডেমিক শাখায় পাঠিয়েছি। এটি আইন প্রশাসকের মতামতের জন্য পাঠানো হবে। তার মতামত নিয়ে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।

ইবির দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে র‍্যাগিংয়ের নামে ফুলপরী নামের এক ছাত্রীকে নির্যাতনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি (বহিষ্কৃত) সানজিদা চৌধুরী অন্তরাসহ পাঁচ শিক্ষার্থীকে গত ৪ মার্চ সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিষ্কৃত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন- শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, ছাত্রলীগ কর্মী ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী তাবাসসুম ইসলাম, আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মিম, ফাইন আর্টস বিভাগের হালিমা খাতুন উর্মি ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের মোয়াবিয়া জাহান।

এর আগে গত ১ মার্চ ওই পাঁচ ছাত্রীকে সাময়িক বহিষ্কারের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট ড. শামসুল আলমকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতেও বলা হয়।