রাঙামাটি প্রতিনিধি
ছবিঃ প্রতিনিধি
বন্যা ও পাহাড়ধসের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এমপি। তিনি বলেন, মানুষের অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়েছে। তাই পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) রাতে রাঙামাটা শহরের লোকনাথ মন্দিরে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় খোলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যা ও পাহাড়ধসে পারমানেন্টলি কিছু করতে পারবো না। কারণ পাহাড় তো ধসে যখন- আমরা মানুষরা একটা আকাম করি, গাছ কেটে ফেলি, নিচ থেকে মাটি সরায়ে ফেলি; তখন পাহাড় ধসে। পাহাড় তো এতো হাজার হাজার বছর ধসে নাই। তো এখন ধসে কেন। এখন প্রকৃতির ওপর মানুষ হাত দিয়ে প্রকৃতি নষ্ট করেছে। তারপরও এগুলো একটা বড় চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য। অবশ্যই এটা আমরা দেখবো।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা দেখতে হলে-আগে হুট করে ওখানে কয়েকটা বাঁশ গেড়ে দিতাম, সেটা করলে হবে না। অ্যাপ্রোপ্রিয়েট অথোরিটি চিন্তা করে ডিজাইন করে করুক, আস্ত আস্তে আমরা এগুলো আগাই। সেই সঙ্গে আমাদের জনগণকে সচেতন হতে হবে আমরা যেন পরিবেশ নষ্ট না করি। পরিবেশ নষ্ট না হলে কোন কিছুই হবে না।
এসময় প্রতিমন্ত্রী পাহাড় ধসের ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের অন্যত্র পুনর্বাসনের বিষয়ে বলেন- ‘ওইটাও আমরা চিন্তা করছি। আমাদের মিনিস্ট্রির অনেক জায়গা আছে। আমরা লাগলে ওখানে তাদের নিয়ে যাব। একটু সময় দিতে হবে। আগে দুর্যোগটা শেষ করে নেই’।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ, তাদের খাবার দাবার যতদিন লাগে দেবো। তিনমাস হলে তিনমাস। তাদেরকে পুনর্বাসন করার জন্য আমরা চেষ্টা করবো-গরু ছাগল দিতে হলে দেবো। ঘরবাড়ি বানানোর জন্য টিন দেবো।কিন্তু টিনগুলো আমাদের হাতে নাই। নতুন অর্থ বছরে আমরা দিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো। আমাদের পুরো সরকার এ ব্যাপারে পজিটিভ। কাজেই এটা হবেই’।












