জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২০ ও ভুলে ভরা নিম্ন মানের ছাপা বই বাতিল এবং খাতা, কলমসহ সকল শিক্ষা উপকরণের দাম কমানোর দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বগুড়ার গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। রবিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় শহরের জিরো পয়েন্ট সাতমাথায় এ কর্মসূচি পালন কওে সংগঠনটি।
এ সময় বক্তারা বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২০ বাতিল করে শিক্ষার্থীদের জন্য একইধারার বৈষম্যহীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক, গণমুখী শিক্ষানীতি চালু করতে হবে। এ শিক্ষাক্রমে কিছু ভালো তথ্যের আড়ালে শিক্ষা বৈষম্য, ব্যয় বৃদ্ধি ও শিক্ষা ব্যবসাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। একজন শিক্ষার্থী যাতে একটা নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত সামগ্রিকতায় জ্ঞান লাভ করে- সেই কথা বলে প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শেণি পর্যন্ত একই বিভাগে শিক্ষা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
এতে বিজ্ঞান শিক্ষার পরিসর কমে এক তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। স্বল্প পরিসরে বিজ্ঞান পড়ে মাধ্যমিক শেষ করে উচ্চ মাধ্যমিকে গিয়ে হঠাৎ বিজ্ঞান বিভাগের পরিসর বেড়ে গেলে শিক্ষার্থীরা চাপের মুখে পড়বে এবং বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশুনা করতে নিরুৎসাহিত হবে। তাই জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২০ বাতিল করে শিক্ষার্থীদের জন্য একইধারার বৈষম্যহীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক, গণমুখী শিক্ষানীতি চালু করার দাবি জানান তারা।
বক্তারা বলেন, নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের দেয়া বইয়ে অনেক ঐতিহাসিক তথ্যগত ভুল, বানান ভুল, যতিচিহ্নের ভুল রয়েছে। এছাড়া নিম্নমানের কাগজের ব্যবহার ও ছাপার কারণে বইগুলো বছরের শেষ পর্যন্ত টিকবে কিনা প্রশ্নও উঠেছে। তাই ভুলে ভরা ও নিম্নমানের ছাপা পাঠ্যপুস্তক বাতিল করে মানসম্মত নতুন বই অবিলম্বে সরবরাহ করতে হবে।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বগুড়া জেলার সভাপতি ধনঞ্জয় বর্মনের সভাপতিত্বে এবং ছাত্র ইউনিয়ন বগুড়া জেলার কোষাধ্যক্ষ নাইম ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, বগুড়া জেলা সংসদের সভাপতি ছাব্বির আহম্মেদ রাজ, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ রহমান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিয়তি সরকার নিতু, জেলা সংগঠক চামেলী আক্তার এবং রিফাত ইসলাম রাব্বি।












