প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসের নিঃশর্ত মুক্তি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ধামরাইয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের দুটি সংগঠন। এতে অংশ নেন শামসের মা করিমন নেসাও। ছেলের মুক্তির দাবি জানাতে গিয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের ডাউটিয়া ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাই উপজেলা প্রেস ক্লাব ও ধামরাই রিপোর্টার্স ক্লাবের যৌথ আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে শামসের মা করিমন নেসা ছেলের মুক্তি চান। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লে তাকে সেখান থেকে নিয়ে যান স্বজনরা।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক শামসের নামে কোনো ধরনের মামলা ও অভিযোগ ছাড়া ভোররাতে সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে বাসা থেকে আটক আইনবিরোধী। উচ্চ আদালতের আদেশ অনুযায়ী আসামিকে আটকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করার কথা থাকলেও প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর সাংবাদিক শামসকে আদালতে হাজির করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, শামস শুধু একজন সাংবাদিকই নন। তিনি রাজধানীর হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় নিহত ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) রবিউল ইসলামের আপন ছোট ভাই। শামসকে তুলে নেওয়ার সময় সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন দাবি করেন প্রকাশিত প্রতিবেদনের জন্য রাষ্ট্রের আপত্তি আছে। যে মায়ের পেটে রবিউলের মতো দেশপ্রেমিক পুলিশ কর্মকর্তার জন্ম হয় সেই মায়ের পেটে জন্ম নেওয়া শামসুজ্জামান কখনোই রাষ্ট্রবিরোধী হতে পারেন না। তাই আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে নিঃশর্ত মুক্তি না দেওয়া হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতারা।
শনিবার ধামরাইয়ে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মা করিমন নেসা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধামরাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শামীম খান, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আদনান হোসেন, রিপোর্টার্স ক্লাবের সহসভাপতি হুমায়ুন রশিদ, ধামরাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান খান প্রমুখ।












