রংপুর বিভাগীয় গণসমাবেশে যোগ দিতে প্রায় ৭ শতাধিক রিকশা-ভ্যানের বিশাল বহর নিয়ে পথে নেমেছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের হাজার হাজার নেতাকর্মী। সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির নেতা আব্দুল খালেক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক লোকমান হাকিমের নেতৃত্বে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যানে রংপুর অভিমুখে রওনা দিয়েছেন তারা।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়কের কামারপুকুর, চিকলী ও খিয়ার জুম্মা এলাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তারা।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার জানান, রংপুর পরিবহন মালিক সমিতির ডাকা দুই দিনের ধর্মঘটের কারণে বাস, ট্রাক সড়কে চলাচল না করায় বিকল্প হিসেবে এই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির নেতা আব্দুল খালেক জানান, ৭০০ রিকশা-ভ্যানের বহরে সৈয়দপুরে বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং পৌর বিএনপির শত শত নেতাকর্মীরা যোগ দিয়েছেন। ৫০ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগবে। যাওয়ার পথে কোথাও বাধা এলে প্রয়োজনে পায়ে হেঁটে সমাবেশে যোগ দেওয়ার মানসিকতা রয়েছে নেতাকর্মীদের।
সৈয়দপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক লোকমান হাকিম বলেন, ক্ষমতাসীন দলের পরিকল্পিত পরিবহন ধর্মঘট কোনো বাধাই সৃষ্টি করতে পারবে না। সব বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশ সফল করা হবে। আজকের রংপুরের গণসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে।
মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও থ্রি-হুইলারসহ অবৈধ যান চলাচল বন্ধ এবং রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়কে ‘প্রশাসনিক হয়রানি’ বন্ধের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতি। গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। চলবে আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
এই ধর্মঘটের কারণে রংপুর বিভাগের আট জেলার যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। ফলে মহামাবেশে যোগ দিতে ভোর থেকেই উত্তরের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীরা সৈয়দপুর-রংপুর মহাসড়ক ধরে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন।












