স্পোর্টস ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
শ্রীলঙ্কা সফরের হতাশা ভুলে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে দেশে ফিরেছিল বাংলাদেশ দল। সেই আত্মবিশ্বাসই এবার কাজে লাগাল পাকিস্তানের বিপক্ষে। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে লঙ্কানদের মাটিতে প্রথম সিরিজ জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা।
রবিবার (২০ জুলাই) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয় সফরকারী পাকিস্তান। জবাবে ৭ উইকেট ও ১৬ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক বাংলাদেশ।
এই ম্যাচে পাকিস্তানের ১১০ রান টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ৬ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম রানে ৪ ওভার বোলিংয়ের রেকর্ড।
টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস। পাকিস্তানের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ওপেনার ফখর জামান একপ্রান্ত আগলে রাখার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৪৪ রান করে রানআউট হন।
এছাড়া খুশদিল শাহ ২৩ বলে ১৮ এবং আব্বাস আফ্রিদি ২৪ বলে ২২ রান করেন। দলের আর কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। পাকিস্তান ইনিংসের শেষ ওভারে প্রথম তিন বলেই হারায় শেষ তিন উইকেট। ১১০ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।
তাসকিন আহমেদ ৩টি, মোস্তাফিজুর রহমান ২টি, তানজিম হাসান সাকিব ও মেহেদী হাসান ১টি করে উইকেট নেন।
১১১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারে মাত্র ১ রান করে তানজিদ হাসান তামিম ফেরেন সাজঘরে। এরপর লিটন দাসও ১ রান করে বিদায় নেন। দলীয় স্কোর তখন মাত্র ৭।
তবে এরপর দুর্দান্ত জুটি গড়েন পারভেজ হোসেন ইমন ও তাওহীদ হৃদয়। তৃতীয় উইকেটে তারা যোগ করেন ৭৩ রান। ৩৭ বলে ৩৬ রান করে হৃদয় ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন ইমন।
শেষ পর্যন্ত ৩৯ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ইমন। অন্য প্রান্তে ১০ বলে ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন জাকের আলী অনিক। ৭ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।












