• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

অস্ট্রেলিয়ান অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেলেন মির্জা ফখরুলের মেয়ে

প্রকাশ: বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২ ২:৫৫
আপডেট: বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২ ২:৫৫

96600245 2

অস্ট্রেলিয়ান অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেলেন মির্জা ফখরুলের মেয়ে

লোকাল হিরো ক্যাটাগরিতে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে সম্মানজনক ‘অস্ট্রেলিয়ান অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলামের মেয়ে ডা. শামারুহ মির্জা। আজ বুধবার অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় এই পুরস্কারটি তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এরপর তিনি ২০২৩ সালের ২৫ জানুয়ারি জাতীয় পুরস্কার ঘোষণার দিন অন্যান্য রাজ্য এবং অঞ্চলের পুরস্কার প্রাপ্তদের সাথে ‘ফাইনালিস্ট’ হিসেবে যোগ দেবেন। সিতারাস স্টোরি নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে নারীদের মানবিক সহায়তার জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

শামারুহ মির্জা একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী। ২০০৬ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরাতে বাস করছেন। চিকিৎসক হলেও মূলত তিনি একজন নারী সংগঠক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের নারীদের তাদের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করতে এবং আত্মবিশ্বাস অর্জনের জন্য একটি নিরাপদ স্থান দিতে শামারুহ ২০১৭ সালে সিতারার গল্প (সিতারাস স্টোরি) নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর সহপ্রতিষ্ঠাতা তিনি। বাংলাদেশে ২ জন নারী বীরপ্রতীক রয়েছেন। ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা ও তারামন বিবি। তাদের নামানুসারেই এই সংগঠনটির নামকরণ করা হয়েছে। সি মানে সিতারা বেগম, আর তারা মানে তারামন বিবি।

এই সংস্থাটি কর্মশালা, আলোচনা, সেমিনার ও সৃজনশীল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে, যা নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য, অক্ষমতা, পারিবারিক সহিংসতা ও দক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে সহায়তা করে। ২০২১ সালে স্বেচ্ছাসেবকমূলক ও অলাভজনক সংস্থাটিকে মানসিক স্বাস্থ্য পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। শামারুহ নিজেও ক্যানবেরা ‘কমিউনিটি স্পিরিটস অ্যাওয়ার্ড ২০২১’ এর চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগী ছিলেন।

‘অস্ট্রেলিয়ান অফ দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ জাতীয় অস্ট্রেলিয়া দিবস কাউন্সিলের একটি প্রোগ্রাম। প্রতি বছর দেশটি এই পুরস্কারের মাধ্যমে সেসব বিশিষ্ট অস্ট্রেলিয়ানদের কৃতিত্ব ও অবদানকে উদযাপন করে, যারা সবার জন্য আদর্শ নাগরিকদের প্রতিনিধিত্ব করেন। তারা তাদের কৃতিত্বের মাধ্যমে জাতিকে অনুপ্রাণিত করেন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিস্থাপক অস্ট্রেলিয়া তৈরিতে নিজ অবদান রাখার জন্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেন।

ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ডে কাউন্সিল বোর্ড ৩২টি রাজ্য ও অঞ্চল থেকে বছরের সেরা অস্ট্রেলিয়ানদের নির্বাচিত করে। অস্ট্রেলিয়া দিবসের প্রাক্কালে ক্যানবেরায় জাতীয় পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষণার মাধ্যমে বছরব্যাপী মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

৪টি ক্যাটাগরিতে এসিটি পুরস্কার দেওয়া হয়। এগুলো হলো- এসিটি অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ার, এসিটি সিনিয়র অস্ট্রেলিয়ান অব দ্য ইয়ার, এসিটি ইয়াং অস্ট্রেলিয়ান অফ দ্য ইয়ার ও এসিটি লোকাল হিরো। এবার এই ৪ ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছেন ১৬ জন। এর মধ্যে আজ ৪ ক্যাটাগরিতে ৪ জন ফাইনালিস্ট পুরস্কার পেলেন। আগামী বছর ২৫ জানুয়ারি জাতীয় পুরস্কার ঘোষণার দিন অন্যান্য রাজ্য এবং অঞ্চলের পুরস্কারপ্রাপ্তদের সঙ্গে ‘ফাইনালিস্ট’ হিসেবে তারা যোগ দেবেন।

ড. শামারুহ মির্জা বলেন, ‘এই পুরস্কার আমাদের জন্য অনেক বড় স্বীকৃতি। আমাদের কাজ যে স্থানীয় কমিউনিটিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে এটা তারই স্বীকৃতি। এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার আমার কাছে। আমি মূলত একজন চিকিৎসা বিজ্ঞানী। অস্ট্রেলিয়ার সরকারের যে মেডিসিন রেগুলেটরি বোর্ড আছে, সেখানে সিনিয়র সায়েন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত আছি। সেখানে ফুলটাইম কাজ করি।’

তিনি বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে আমি ‘সিতারাস স্টোরি’ গঠন করি। বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের স্কুল-কলেজগুলোতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে কিছুই নেই। তাই আমরা বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান ‘ইনোভেশন ফর ওয়েলবিয়িং ফাউন্ডেশন’ এর সঙ্গে পার্টনারশিপে গ্রামের স্কুলগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে কাজ করছি, ওয়ার্কশপ করাচ্ছি। ক্যানবেরায় শুরু করেছি গত তিন-চার বছর ধরে। ক্যানবেরায় ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি থেকে যেসব নারী-বাচ্চারা আসে, তাদের নিয়ে আমরা কাজ করছি। তাই এই স্বীকৃতি পাওয়ায় ভালো লাগছে অনেক।’


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫( লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com