শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূজা, আলোচনা সভা, প্রসাদ বিতরণ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সংগঠনটির উদ্যোগে সকালে শ্রী শ্রী রামসীতা মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে আলোচনা সভা ও প্রসাদ বিতরণ শেষে বিকালে শ্রী শ্রী রমনা কালীমন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা নিয়ে পলাশীর মোড়ে মূল শোভাযাত্রায় অংশ নেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে শোভাযাত্রাটি ঢাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিক্টোরিয়া পার্কে গিয়ে শেষ হয়।
সকালে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট দীনবন্ধু রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার পাল, মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, সহ-সভাপতি নিতাই দে সরকার ও দুলাল চন্দ্র মণ্ডলসহ অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও আদর্শের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের মাধ্যমে দেশে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
তারা অভিযোগ করেন, দেশের হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ, জমি দখল, প্রতিমা ভাঙচুর, অপহরণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ তুলে এসব ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।
বক্তারা বলেন, র্বতমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর হিন্দু সম্প্রদায় আশা করছেলিো হিন্দু সম্প্রদায় স্বস্তি পাব, নির্যাতন হবে না। সব বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের সে আশা নিরাশায় পরিণত হয়েছে।
তারা আরও বলেন, সংখ্যানুপাতে জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ৩০ জন সদস্য থাকার কথা কিন্তু আছে ২ জন, যারা আবার নিজেদের হিন্দু হিসেবে স্বীকার করেন না। জাতীয় সংসদ আজ তাই হিন্দু প্রতিনিধি শুন্য। সরকাররে মন্ত্রী সভাতেও হিন্দু সম্প্রদায়ের অবস্থান নাজুক।
বক্তারা বলেন, প্রতিটি সরকারেই হিন্দু সম্প্রদায় উপক্ষিত থেকেছে। স্বাধীনতার সময় ২২ হিন্দু থাকলেও আজ তা নেমে এসেছে ৮% এ। রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব না থাকায় হিন্দু সম্প্রদায় ধীরে ধীরে বিলুপ্তির দিকে ধাবিত হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী ১৫/২০ বছরের মধ্যে এ দেশ হিন্দু শুন্য হবে।











