• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

‘অপরিকল্পিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিপদ বাড়িয়েছে’

প্রকাশ: বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২ ১১:৫৫
আপডেট: বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২ ১১:৫৫

960002547

‘অপরিকল্পিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিপদ বাড়িয়েছে’

অপরিকল্পিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনসাধারণের বিপদের কারণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল। তিনি বলেন, ‘জনস্বার্থকে বিবেচনায় না নিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন মানুষ ও পরিবেশের ক্ষতি করছে।’

বুধবার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে খুলনার দাকোপ উপজেলায় পশুর নদীর ডেসিংয়ের বালু ফসলি জমিতে ফেলার প্রতিবাদে তিনি এ সব কথা বলেন। বানিশান্তার কৃষিজমিতে শষ্য উৎপাদন ধ্বংস করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ৯টি মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন আয়োজিত নাগরিক সভার আয়োজন করে।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘জনস্বার্থ বিবেচনা না করে নীতিনির্ধারকেরা আমাদের বিপদে ফেলছে। জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্ত ও অসদাচরণের জন্য মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুসার অপসারণ ও গ্রেপ্তার দাবি করছি। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় কিন্তু তাকে কেন গ্রেপ্তার করা হচ্ছেনা। আমরা অনতিবিলম্বে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন হলো উপায়। উন্নয়ন কোন জাতির লক্ষ্য হতে পারে না। প্রধান লক্ষ্য হবে জনস্বার্থ, মানবাধিকার ও জনকল্যাণ। জনগণের জন্যই উন্নয়ন। আজ কর্তাব্যক্তিরা উন্নয়নকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। জনস্বার্থ আর উন্নয়ন গুলিয়ে ফেলেছি।’

অনুষ্ঠানে ‘নিজেরা করি’ সংগঠনের সমন্বয়ক খুশী কবির বলেন, ‘লোক দেখানোর জন্য উন্নয়ন করা হলে সেটি উন্নয়ন নয়। জনগণের ক্ষতি করে অবকাঠামো নির্মাণ জনস্বার্থ বিরোধী এবং এটি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি ‘বেলা’র প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘উপকূলীয় জেলা খুলনা একটি কৃষিপ্রধান জেলা। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ পশুর নদী ড্রেজিং সংক্রান্ত “মোংলা বন্দর ইনারবার ড্রেজিং” শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ প্রকল্পের অধীনে পশুর নদীর ড্রেজিংকৃত বালুমাটি ফেলার জন্য ১০০০ একর জমি দখলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলাধীন বানীশান্তা ইউনিয়নের ৩০০ একর তিন ফসলি উর্বর কৃষি জমি বিলীন হতে চলেছে।’

তিনি আরও বলেন, বানীশান্তার কৃষিশ্রমিকদের সুরক্ষিত রাখতে এবং কৃষি ব্যবস্থা উন্নত করার উদ্দেশ্যে সরকার বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বানীশান্তাসহ ৩৩ নাম্বার পোল্ডারে কোস্টাল এমব্যান্ডমেন্ট ইরিগেশন বাঁধ দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বানীশান্তায় এখন তিন ফসল আবাদ হচ্ছে। এ কৃষি জমিতে বছরে তিন মৌসুমি ফসল চাষ হয়। মাটি ফেলার জন্য প্রস্তাবিত জমিতে স্থানীয়দের জীবন জীবিকার অন্যতম অবলম্বন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।

নাগরিক সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ, মনীন্দ্র কুমার নাথ, কলামিস্ট সোহরাব হাসানসহ অনেকে।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com