ডেস্ক নিউজ
বেশ কিছুদিন আগে আমি তার কাছে গিয়েছিলাম। সঙ্গে ছিলেন সুমন মাহমুদ। তিনি কিছু কথা বলার আগ্রহ দেখালেন। সুমনকে বললেন রেকর্ড করতে। যথারীতি এর ভিডিও হলো। তিনি তার শেষ ইচ্ছার কথা বললেন। ‘আমার মৃত্যুর পর কোনো শোকসভা হবে না। শহীদ মিনারে ডিসপ্লে হবে না লাশ। যত দ্রুত সম্ভব নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আমার গ্রামের বাড়িতে পাঠাতে হবে মরদেহ, যা ঢাকা থাকবে একটা কাঠের কফিনে। মায়ের একটা শাড়ি রেখে দিয়েছি।
কফিনটা শাড়িতে মুড়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে, মায়ের কবরে।’
সদ্য প্রয়াত মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক সিরাজুল আলম খান এভাবেই তার ইচ্ছার কথা জানিয়ে গেছেন। মহিউদ্দিন আহমদের লেখা ‘প্রতিনায়ক: সিরাজুল আলম খান’ বইয়ে বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।












