• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয় শহিদ সেনা দিবস আজ পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:৩৮
আপডেট: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:৩৮

965874203

জাতীয় শহিদ সেনা দিবস আজ পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সংগৃহীত ছবি
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস’। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নারকীয় হত্যাযজ্ঞের স্মরণে দিনটি পালিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এই ঘটনায় শহিদদের মাগফিরাত কামনা ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের কাছে পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য। তিনি বলেন, ‘‘২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহিদ সেনা দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন শহিদ হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের পর দিনটি যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহিদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহিদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।’’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার চলমান। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলার অবকাশ নেই। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল–নাগরিক হিসেবে এই বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলে আমি মনে করি। এই হত্যাকাণ্ডের পর নানা রকম মিথ্যা কিংবা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব– এই হোক শহিদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।’

পিলখানার এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরণ আইনে করা মামলায় আদালত ১৩৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কমিশনস অব ইনকোয়ারি অ্যাক্ট, ১৯৫৬-এর অধীনে মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমানকে (অবসরপ্রাপ্ত) সভাপতি করে ‘পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের’ বিষয়ে ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন’ গঠন করা হয়। গত বছরের (২০২৫ সালের) ৩০ নভেম্বর কমিশন তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত অভিযান, হঠাৎ ঘটে যাওয়া বিদ্রোহ নয়। এতে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা এতে জড়িত ছিলেন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ ফজলে নূর তাপস প্রধান সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করেন এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অভিযানের সবুজ সংকেত দেন।

প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল এবং এতে দেশি-বিদেশি উভয় পক্ষের সম্পৃক্ততা ছিল।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com