জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টের সক্ষমতা ও ভ্রমণ-স্বাধীনতার ভিত্তিতে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স প্রকাশ করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে অন্যতম নির্ভরযোগ্য সূচক হিসেবে বিবেচিত।
২০২৬ সালের সর্বশেষ প্রকাশিত সূচক অনুযায়ী, বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান ৯৬তম। এ সূচকে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের ৩৬টি দেশ ও অঞ্চলে আগাম ভিসা ছাড়াই (ভিসা-ফ্রি, ভিসা অন অ্যারাইভাল বা ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন সুবিধাসহ) ভ্রমণ করতে পারেন। ফলে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ-স্বাধীনতার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থানে কিছুটা উন্নতি হলেও, বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টগুলোর তুলনায় এখনও তা অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
এই সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ ভিসা ছাড়া প্রবেশের সুযোগ, অন-অ্যারাইভাল ভিসা এবং কিছু ক্ষেত্রে ই-ভিসা সুবিধা। ভ্রমণকারীদের সুবিধার্থে দেশগুলোর তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
এশিয়া
ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া এবং তিমুর লিস্তে।
ক্যারিবিয়ান অঞ্চল
বাহামাস, বার্বাডোজ, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, ডমিনিকা, গ্রেনাডা, হাইতি, জ্যামাইকা, মন্টসেরাট, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন এবং ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো।
আফ্রিকা
বুরুন্ডি, কেপ ভার্দে, কোমোরো আইল্যান্ডস, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, কেনিয়া, মাদাগাস্কার, রুয়ান্ডা, সিচিলিস, সিয়েরা লিওন এবং গাম্বিয়া।
ওশেনিয়া অঞ্চল
কুক আইল্যান্ডস, ফিজি, কিরিবাতি, মাইক্রোনেশিয়া, নিউই, সামোয়া, টুভ্যালু এবং ভানুয়াতু।
ভ্রমণ পরিকল্পনা করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা নীতিতে যেকোনো সময় পরিবর্তন আসতে পারে। তাই নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভ্রমণের পূর্বে সরকারি ওয়েবসাইট অথবা সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া জরুরি।












