নিউজ ডেস্ক
স্বাধীনতার পর থেকে বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অর্জনের ধারাবাহিক তথ্য চেয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ। সেই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক পদ্ধতিতে মূল্যস্ফীতি (কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স), জিডিপি (গ্রোস ডমেস্টিক প্রডাক্ট) এবং ত্রৈমাসিক জিডিপির তথ্য দেওয়ার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংস্থাটি। এ বিষয়ে আইএমএফ-কে অবগত করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএসের মহাপরিচালক মো. মতিয়ার রহমানের দপ্তরে মঙ্গলবার (২ মে) অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল এ তিনটা বিষয়ে জানতে চান। বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদনের প্রায় তিন মাস পর ঢাকায় স্টাফ কনসালটেশন মিশন পাঠায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্ব পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় অবস্থান করছে।
বৈঠক শেষে বিবিএস ডিজি মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা আইএমএফ প্রতিনিধ দলের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তিনটা কাজের অগ্রগতির বিষয়ে প্রতিনিধি দল জানতে চেয়েছে, আমরাও তাদের অবগত করেছি। আমরা বলেছিলাম জিডিপি তথ্য স্বাধীনতার পর থেকে বই আকারে প্রকাশ করবো, তাই করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির নতুন মেথডের বিষয়ে জানতে চেয়েছে, আমরা এ বিষয়ে অবগত করেছি।
তিনি বলেন, আইএমএফ মূল্যস্ফীতির নতুন মেথডে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চেয়েছে। মূল্যস্ফীতির হিসেব যেভাবে করি এ পদ্ধতিতে আর করছি না, এটার পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সারাবিশ্বে ৯৫ শতাংশ দেশ আইএমইফ মিক্স ম্যাথডে মূল্যস্ফীতি বের করছে। খাবার ও নানা পণ্যে নতুন নতুন আইটেম নিয়ে আসছি। নতুন করে ফুড ড্রিংস নিয়ে এসেছি নতুন মূল্যস্ফীতিতে খাদ্যপণ্য ১৫৩ এর জায়গায় ২৬৩টি হবে। ৭২০ পণ্য মিক্সড ম্যাথডে স্থান পাবে। নতুন মেথডে সিপিআই প্রকাশ হবে।












