বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, আগামীতে শেখ হাসিনার অধীনে এদেশের মাটিতে কোন নির্বাচন হবে না, হতে দেয়া হবে না। আগে অবৈধ রাতের ভোটের সরকার শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে হবে তারপর নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন, একটি অবৈধ রাতের ভোটের সরকার জোড় করে ক্ষমতা দখল করে আছে। তারা দেশের অর্থনীতিকে শূন্যের কোঠায় নিয়ে গেছে। দেশে এখন নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে।
মঙ্গলবার(১৪ মার্চ) দুপুরে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী বলেন, মিথ্যা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা এবং সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সহ যারা কারাবন্দি আছেন যতদিন পর্যন্ত তাদের মুক্তি না হবে সাংবাদিক সমাজ ততদিন রাজপথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, রিজভী আহমেদকে কষ্ট দেয়া মানে গণতন্ত্রকে কষ্ট দেয়া,দেশের মানুষের মানবাধিকারকে কষ্ট দেয়া। আমরা অবিলম্বে রুহুল কবির রিজভীর মুক্তি দাবি করছি।
বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, সরকার মিথ্যা মামলায় বেগম জিয়াকে সাঁজা দিয়েছেন এটা শুধু দেশের মানুষ না সারা বিশ্বের মানুষ জানে। সেই কারণে বেগম খালেদা জিয়া সারা পৃথিবীতে আলোকিত হয়েছেন গণতন্ত্রের মা হিসেবে।
অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া বলেন, সরকার রিজভী আহমেদকে ভয় পায়, এজন্য তাকে মুক্তি দিচ্ছে না। একজন দাগী আসামীকে যেভাবে আদালতে আনা হয় অসুস্থ রিজভী আহমেদকেও সেভাবে আনা হয় আদালতে।
বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়ার সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক রাশিদুল হকের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, বিএনপির সহ তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, মৎস্যজীবি দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা ওমর ফারুক কাউসার, জসিম শিকদার রানা প্রমুখ।












