আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘গণমুক্তি জোট’ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সুশীল সমাজের ব্যক্তিদের নিয়ে এই জোট আত্মপ্রকাশ করে।
নতুন এই জোটে ‘বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট’ নামে নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক দল রয়েছে, যার প্রতীক ‘ছড়ি’। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাই নতুন এই জোটের অন্যতম লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান হিসেবে ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ, উপদেষ্টা হিসেবে মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে আবু লায়েস মুন্না, মুখপাত্র হিসেবে সাবেক সচিব কাসেম মাসুদ, কো-চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর এ আর খান, সৈয়দ হারুন-অর-রশীদ, আমিনা খাতুন, সমন্বয়ক হিসেবে মো. আল আমিনের নাম ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া জোটের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে ড. মোমেনা খাতুন, ড. ইশা মোহাম্মদ, ড. মোহাম্মদ আলী, অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক, অধ্যাপক ড. শহীদ মঞ্জু, মোহাম্মদ ফজলুল হক, এ আর এম রাজু সিকদার, ইঞ্জিনিয়ার মুসফিকুর রহমান, গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়া ও শেখ আব্দুন নুরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সমন্বয় পরিষদের সদস্য করা হয়েছে মুজিবুল হক, মো. শাহজামাল আমিরুল ও মরিয়ম আমিনাকে।
জোটে কয়টি দল রয়েছে তা সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি। জোটের অধীনে কয়টি রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন রয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জোটের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ বলেন, ‘সবসময় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই নির্বাচনে অংশ নেন। কিন্তু রাজনৈতিক দলের বাইরে সুশীল সমাজ, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ব্যক্তি বিশেষও নির্বাচনে অংশ নিতে চায়; শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন চায়। আমরা চাচ্ছি তাদের সম্পৃক্ত করতে। অনেকে ইতোমধ্যে আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন, আরও অনেকে দেবেন। আবার অনেকে জোট গঠনের পর বেরও হয়ে যান। তাই জোটের অধীনে কিছু দল বা সংগঠন আছে তা নির্দিষ্ট করে বলতে চাই না।’
ইফতেখার ফুয়াদ এ রাজনৈতিক জোটে কতটি দল রয়েছে তা না জানালেও এই মুহূর্তে এতে ১২টি দল রয়েছে বলে জানা গেছে।
আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ‘ছড়ি’ প্রতীক নিয়ে ৩০০ আসনে অংশগ্রহণ করাই গণমুক্তি জোটের লক্ষ্য বলে জানান জোটের মুখপাত্র কাসেম মাসুদ। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সরকার ও বিরোধী দল শুধু দোষ-ত্রুটি নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছে। সঠিক নেতৃত্বের অভাবও আজ প্রধান জাতীয় সমস্যা। এ অবস্থায় জনগণের সার্বিক মুক্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে দায়িত্বশীল রাজনীতি ও গণতন্ত্র চর্চার প্রতি অঙ্গীকারসহ আমরা গণমুক্তি জোট গঠন করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সুস্থ ধারার রাজনীতি জনগণের সংকট নিরসনে মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারবে।’












