• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ

প্রকাশ: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ৯:৪১
আপডেট: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ৯:৪১

96663696 2

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ

খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে আবারও বিদ্যুতের দামবৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এর প্রতিবাদে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে দিনব্যাপী জনসংযোগ এবং সমাবেশ করবে মঞ্চ। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের সভায় এই কর্মসূচি গৃহীত হয়।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে সভায় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নূর, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদউদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান।

সভায় নেতারা বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির এই মহাসংকটের মধ্যে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সামগ্রিকভাবে দেশকে আরও সংকটের দিকে নিয়ে যাবে। জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হবে। সরকার এবং সরকারি দলের মদদপুষ্টদের লুটপাটের খেসারত দিচ্ছে সাধারণ জনগণ। রেন্টাল–কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন এবং দফায় দফায় এর মেয়াদ বাড়ানোর মাধ্যমে কেবলমাত্র ক্ষমতাসীনদের অনুগত এবং মদদপুষ্ট ব্যবসায়ীদের ব্যাপক আয়ের পথ তৈরি করে দেয়া হয়েছে।’

তারা আরও বলেন, ‘কোনো বিদ্যুৎ না নিয়েই গত ১১ বছরে সরকার বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। গত ৩ বছরেই দেয়া হয়েছে ৫৪ হাজার কোটি টাকা। এই স্বজনতোষী ব্যবস্থার বৈধতা দিতে সংসদের মাধ্যমে ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের গত ১৪ বছরের শাসনামলে খুচরা এবং পাইকারি উভয় পর্যায়ে ১১ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে।’

নেতারা বলেন, ‘এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অসহনীয় দামে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠছে। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এক মাসের কম সময়ের ব্যবধানে আবারও বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম। একদিকে শিল্পে উৎপাদন খরচ বাড়ার ফলে দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, অন্যদিকে ভোক্তা পর্যায়েও সরাসরি অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে অতিরিক্ত খরচ সমন্বয় করতে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা কমবে। যার প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।’

গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা অভিযোগ করেন, ‘বিগত ১৪ বছরে সরকার এবং সরকারি দলের মদদপুষ্টরা দেশ থেকে ১০ লাখ কোটি টাকার বেশি পাচার করেছে। সরকারের কাছে দেশ চালানোর টাকা নেই। মাসে মাসে টাকা ছাপিয়ে তারা ব্যয় নির্বাহ করছে। এভাবে সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেশকে দেউলিয়াত্বের পথে ধাবিত করছে অবৈধ ক্ষমতাসীন সরকার।’

তারা বলেন, ‘দেশকে বাঁচাতে, দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে এখনই এই সরকারের পতন ঘটিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করতে হবে। সভায় ক্ষমতাসীন সরকারকে জনবিরোধী উল্লেখ করে জনগণকে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান নেতারা।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডির সহ-সভাপতি মো. সিরাজ মিয়া, নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ার, গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক মুহম্মদ রাশেদ খান, ফারুক হাসান, গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া প্রমুখ।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com