নিউজ ডেস্ক
ইউরোপীয় ইউনিয়ন যা বলেছে আমরা তাদের সাথে একমত। তারা যা চায়, আমরাও চাই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, এই নির্বাচন নিয়ে যত বিভ্রান্তি হয়েছে, যত অপবাদ ছাড়ানো হয়েছে সেখানে কিন্তু অনেকে ভেবেছিল বিদেশী পর্যবেক্ষক সাড়া দিবে না। কিন্তু শতাধিক পর্যবেক্ষক অলরেডি সাড়া দিয়েছে। জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক পাঠানো না পাঠানো তাদের বিষয়। এ নিয়ে আমরা চিন্তিত না।
জাতীয় পার্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রওশনের সাথে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত তার ব্যক্তিগত কিন্তু তার দল নির্বাচন করছে, এটা জাতীয় পার্টি নির্বাচন বয়কটের মধ্যে পড়ে না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তৃণমূল বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণ নির্বাচনের চমক। আরো চমকের জন্য নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
১৪ দলীয় জোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শরীকদের হতাশ করা হয়নি।ু এখনো আসন বন্টনের সুযোগ রয়েছে। জনমত বিবেচনা করেই শরীকদের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
কাদের বলেন, ১৬ তারিখ পর্যন্ত দেখবো… কে বিদ্রোহী কে স্বতন্ত্র। সঠিকদের সংগঠিত করতে গিয়ে জয়ের সম্ভাবনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনকে যারা ক্ষতিগ্রস্ত করছে, নির্বাচনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তাদেরকেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত জানিয়ে তিনি বলেন, পিটার হাস রাষ্ট্রদূত হিসেবে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, তাকে কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষ-বিপক্ষে থাকা উচিত নয়।












