নিউজ ডেস্ক
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার নিয়ন্ত্রিত বাইরের একটি সংস্থা দ্বারা হত্যার ভিন্ন কৌশল নেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় শেখ হাসিনার অন্তর্জ্বালা। তাই গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসাধীন কক্ষে ‘সুজন’ নামে এক যুবকের অনুপ্রবেশের চেষ্টা খালেদা জিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘যদি রক্ত দিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হয় তাহলে, বাংলাদেশের মাটি থেকে আওয়ামী লীগের নাম-নিশানা চিরতরে মুছে দেওয়া হবে এবং ইতিহাস পাতায় আওয়ামী লীগ জাতীয় বিশ্বাসঘাতক হিসেবে লেখা থাকবে। নেতারা অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করেন।’
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন ও বিজয়নগর এলাকায় সরকার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ‘অসহযোগ’ আন্দোলনের সমর্থনে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি -জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় সরকারিভাবে পুলিশের একটি নিয়মিত কর্তব্যরত ফোর্স হাসপাতালে থাকার পরেও এমন ঘটনা জনমনে গভীর উদ্বেগজনক। তবে শেখ হাসিনা সরকার অবৈধ নির্বাচনকে স্থগিত করার ভিন্ন কৌশল খুঁজতে গিয়ে নির্বাচনের ভিন্ন প্রভাব খালেদা জিয়ার ওপর দিয়ে ঢাকতে চায় কিনা এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে শেখ হাসিনার পরিণতি কেমন হবে তা সময় বলে দিবে।’
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার জাতীয় বেঈমান। এই সরকার জনগণের সাথে গত পনের বছর ধরে প্রতারণা করে আসছে। ঘরে ঘরে চাকরি দিতে পারে নাই। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াতে পারে নাই। তারা লুটপাট করে দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করুন।’
বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ বক্তব্য রাখেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ প্রধান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) হান্নান আহমেদ বাবলু, বাংলাদেশ এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এম এ বাশার, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ, ইসলামি ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন পারভেজ প্রমুখ।












