স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
গ্রেফতার হওয়ার দীর্ঘ চারমাস পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের আহবায়ক জহির উদ্দিন স্বপন। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে আজ বিকাল সাড়ে পাঁচটায় তিনি মুক্তি পেয়েছেন।
গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশকে পণ্ড করে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ শীর্ষ পর্যায়ের সকল নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ ।
জহির উদ্দিন স্বপনের বিরুদ্ধে গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড করে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা,পুলিশ হত্যা ও পুলিশের পিস্তল ছিনতাই মামলা সহ তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়। গত বুধবার সবগুলো মামলায় জামিন পান তিনি।
গত ২ নভেম্বর বিকালে গ্রেফতার হন জহির উদ্দিন স্বপন। এর পর থেকে দীর্ঘ চার মাস ধরে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
মুক্তি পাওয়ার পর তিনি তাৎক্ষনিক মন্তব্যে জানান, “৭ জানুয়ারির ‘ডামি নির্বাচন’ করে সরকার প্রমাণ করেছে আওয়ামীলীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। নির্বাচনের নামে তারা কেবলমাত্র রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করার লাইসেন্স নবায়নে বিশ্বাসি। তাই জনগণকে ভোটাধিকার থেকে দূরে রাখতে তারা দেশী-বিদেশী লুটেরা সহায়ক শক্তির কাঁধে ভর করে নতুন নতুন ফন্দি আটঁতে ব্যস্ত। ২০১৪,২০১৮ ও২০২৪ সালের অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনই ছিল জনগণকে ভোটের বাইরে রাখতে সেই ফন্দির ধারাবাহিকতামাত্র। রাজনীতি বিশ্লেষকরা,নির্বাচনের নামে এসকল ফন্দিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মোড়কে বাকশালতন্ত্র পরিণতকরণের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অংশ বলে বিবেচনা করেন।”
তিনি আরো বলেন, “৭ জানুয়ারির নির্বাচনে দেশের ৯৫শতাংস মানুষ দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে ভোটদানে বিরত থেকেছে। এরমাধ্যমে বিএনপির উপর জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দায় আগের চেয়ে আরো বেড়েছে। তাই আগামি দিনে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দেশের ৯৫ শতাংস মানুষকে রাজপথের আন্দোলনের সাথে যুক্ত করে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক লড়াইয়ে সফল হতে হবে।”












