চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত
দেশের মানুষ এখন আর দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আবার দুর্নীতি ও নৈরাজ্য না চাই, তাহলে হ্যাঁ এবং এগারো দলীয় প্রতীকে ভোট দিতে হবে। আর যদি একটি নিরাপদ ও উন্নত বাংলাদেশ চাই, তাহলে দুর্নীতি ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিতে হবে।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের তারাশাইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াত হত্যা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতি চায় না। অতীতে কোনো সরকারের আমলেই দুর্নীতি কমেনি। এখন যাদের সঙ্গে আমরা এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি, তারা যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন বাংলাদেশ দুর্নীতিতে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।’
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা হাসান মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং জামায়াত নেতা নাজমুল হক মোল্লা বাদলের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডাকসুর সাবেক জিএস এস এম ফরহাদ।
তিনি বলেন, ‘আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে লুটপাট হবে। চাঁদাবাজি ও গলাবাজি করে এমপি হয়ে কোনো লাভ নেই। ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। মাদক ও চাঁদাবাজির পেছনে মদদদাতারা বসে থাকে। ভুল প্রার্থী নির্বাচিত হলে জনগণকে এর চরম মাশুল দিতে হবে। ফ্যাসিবাদকে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেওয়া হবে না। ১৮ কোটি মানুষের বিজয়ের জন্য দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে হবে।’
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন- চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, জামায়াতের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া নাঈম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, আবুল খায়ের, ইকবাল হোসেন মজুমদার, ওয়াজী উল্লাহ ভূঁইয়া খোকন, ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা শাহজালাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক আলাউদ্দিন আবির ও ব্যবসায়ী শাহ আলম খোকন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- গণভোট প্রচারণায় এনসিপির অ্যাম্বাসেডর আবু সুফিয়ান, যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার, তারাশাইল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ আলম, জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম বাহার, কাজী ইলিয়াছ, মাওলানা ইয়াসিন ফরাজী, মজিবুল হক দুলাল, মনির উদ্দিন পাটোয়ারি, জামাল উদ্দিন লিটন, পেয়ার আহমদ, জাকির হোসেন, জিয়াউল হক জিয়া, ওবায়দুল হক, জসিম ভেন্ডার, মো. শাহজালাল, মো. সুমন, কাজী জসিম, মাওলানা নুর মোহাম্মদ, আবুল, সাইফুল ইসলাম, আলহাজ মোস্তফাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক মানুষ।












